লিখেছেন: শশাঙ্ক বরণ রায় • প্রকাশকাল: 26 ফেব্রুয়ারি 2013 - 10:35পূর্বাহ্ন
বসন্ত ফোটায় রঙ, তারুণ্য জাগে আগুনের চেতনায়
বিষয়টা প্রাকৃতিক নয়
তাই
কিছু শুয়োর শেষ পর্যন্ত শুয়োরই থেকে যায়
লিখেছেন: অপর্ণা হাওলাদার • প্রকাশকাল: 26 ফেব্রুয়ারি 2013 - 2:41পূর্বাহ্ন
শাহবাগ থেকে বলছি
চোখের থেকে চশমা সরাও-
হটিয়ে দেখো ঝাপসা চাদর;
স্বাধীন দেশে কোন কারণে
দালাল পেলো জামাই আদর?
চারটি দশক মাভৈ মাভৈ -
করাচিও নয়, নয় লাহোর!
খুনীর শ্বাসের টানলো বোঝা
বধ্যভূমির সাক্ষী শহর?
এদিক-ওদিক অনেক হোলো,
শব্দজটে বাজলো কত চাচার সানাই!
এখন একটা দাবির তীক্ষ্ম স্লোগান-
শোনো? "কঠিনতম শাস্তি চাই"।
এতদিনের হেলায় ভরা পাপের দাগ
মুছবে বলে জাগলো দেখো শাহবাগ
মিছিল হয়ে ভাসলো গোটা শহরটাই
ফিরবো বাড়ি শান্তমত, তার আগেতে
"যুদ্ধাপরাধীর কঠোরতম শাস্তি চাই।"
লিখেছেন: পাভেল পার্থ • প্রকাশকাল: 25 ফেব্রুয়ারি 2013 - 3:35অপরাহ্ন
বিবর্তনবাদ তত্ত্বের রূপকার চার্লস ডারউইন প্রাকৃতিক নির্বাচনে যোগ্যতমের টিকে থাকার কথা বলেছেন। প্রতিবেশে নানান প্রজাতি নিরন্তর টিকে থাকার সংগ্রাম করে। টিকে থাকবার জন্য যারা সেই সক্ষমতা অর্জন করে বা যাদের ভেতর সেই সক্ষমতা অর্জিত হয় তারাই টিকে থাকে। কালের বিবর্তনে এভাবেই অনেকে হারিয়ে যায়, অনেকেই টিকে থাকবার নানান কলা ও কৌশল রপ্ত করে। প্রকৃতিতে এভাবেই যোগ্যতম নির্বাচিত হয়, টিকে থাকে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে শুরু হওয়া তরুণ প্রজন্মের সাম্প্রতিক আন্দোলন যেন বারবার ডারউইনের সেই অবিস্মরণীয় তত্ত্বকেই প্রমাণ করে চলেছে। তারুণ্যই শাহবাগ আন্দোলনের শক্তি। সাহসী প্রজন্মই এই নয়াদ্রোহের ইশতেহার। মাথা ন
লিখেছেন: রওশন আরা নীপা • প্রকাশকাল: 25 ফেব্রুয়ারি 2013 - 2:09পূর্বাহ্ন
গত ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৩, জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম এবং দেশের বিভিন্ন মসজিদে মুসুল্লিদের তান্ডব মিডিয়ার কল্যাণে আমার সাথে সাথে আমার ১১ বছরের মেয়েও দেখতে পেয়েছে। অনলাইনের সামাজিক মা্ধ্যমে আমার প্রিয় স্বদেশের প্রিয় পতাকার ছেঁড়া টুকরা দেখে হতবাক আমার মেয়ে। কিছক্ষন স্তব্ধ থেকে সে আমাকে খুব সহজ একটা প্রশ্ন করে বসলো “ ৫ম শ্রেনীর পাঠ্যবইয়ে পড়েছি , দেশ প্রেম ইমানের অংগ , এরা তো নিজেদেরকে ঈমানদার বলে গন্য করে তাহলে দেশের পতাকা পোড়ানো, মানষ হয়ে সহিংসতা করা, অন্যকে ধর্ষণ কিভাবে করতে পারে? আমি তার সহজ কথার উত্তর দিতে পারিনি, আপনারা কি দিতে পারেন?
লিখেছেন: সাহাদাত উদরাজী • প্রকাশকাল: 24 ফেব্রুয়ারি 2013 - 5:57অপরাহ্ন
লিখেছেন: মনোজিৎ মিত্র • প্রকাশকাল: 24 ফেব্রুয়ারি 2013 - 1:44অপরাহ্ন
ধর্ম আর ধার্মিকের মাঝে বিরাজ করে এক রহস্যের জলাপুকুর, সেই পুকুরে প্রাচীনকাল থেকেই বাস করে সাম্প্রদায়িকতা নামের বিষাক্ত সাপ। ধর্মের অসংখ্য ভালো কথার নিচে চাপা পড়ে থাকে সে সহজে রা কাড়ে না, ফণা তোলে না। তারে খুঁচিয়ে জাগানো হয়। তারে জাগানো হলে জমে ওঠে ধর্মব্যবসায়ীদের কাজ-কারবার। বিশ্বাস অবিশ্বাসের খেলায় ধর্ম বড় অসহায় উপাদান হয়ে তখন ধার্মিককে করে তোলে খুনি আর ধর্মব্যবসায়ীকে করে তোলে ক্ষমতাবান। ধর্মের নামে অনাচার তখন হয়ে পড়ে ধর্মীয় কাজ।
লিখেছেন: সোহাগ সকাল • প্রকাশকাল: 24 ফেব্রুয়ারি 2013 - 12:41অপরাহ্ন
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ’লা মওদূদী। ১৯০৩ সালে ভারতের হায়দারাবাদ প্রদেশের আওরঙ্গবাদ জেলা শহরের আইন ব্যবসায়ী আহমদ হাসান মওদূদীর ঔরসে তাঁর জন্ম। আজকের জামায়াত-শিবির তাঁর আদর্শেই পরিচালিত। জামায়াত-শিবির কোনো ইসলামী দল নয় এবং তাদের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো যেকোনো উপায়ে, যেকোনো কিছুর বিনিময়ে ক্ষমতায় যাওয়া, তা বাঙালি জাতি অনেক আগেই জেনে গেছে। একাত্তরে তাদের কর্মকান্ডের কথা আমরা সবাইই জানি। এত খুন, এত অন্যায়ের পরেও তারা আজও টিকে আছে বাঙলার মাটিতে। এমনকি দলীয় ভাবে! যারা এদেশের স্বাধীনতাই চাইনি, তারা কিভাবে স্বাধীন বাংলাদেশে রাজনীতি করার সাহস পায়?
লিখেছেন: রিসাত কামাল • প্রকাশকাল: 23 ফেব্রুয়ারি 2013 - 7:44অপরাহ্ন
পাক-ভারত বিভাগের আগে উচ্চ-মধ্যবিত্ত শ্রেণী সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাকে পৃষ্ঠপোষকতা(!!) করত যাতে অন্য সম্প্রদায়ের প্রতিযোগীতা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। আর পাক-ভারত বিভাগের পর সাপ্রদায়িকতা কে উসকে দেওয়া হত নিজেদের সম্প্রদায়ভুক্ত নিম্নবিত্ত লোকদের শ্রেণী চেতনা রোধ করার জন্য। আর ২০১৩ বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা কে উসকে দেওয়া হয় শুধু অর্থনৈতিক কারণে নয়- বরং জাতীয় পরিচয়ের সংকটের জায়গা থেকে মুসলিম সাম্প্রদায়িকতা পৃষ্ঠপোষকতাকারী রাজনৈতিক দল গুলো এক ধরণের racist আধিপত্য কায়েম করতে চায়;যা বাকি সব জাতি/ধর্ম/বর্ণ কে নিম্ন বর্গীয় বিবেচনা করে। এবং তাদের intellectual গুরুরা নানা projection এর মাধ্যমে
লিখেছেন: বিশ্বজিৎ • প্রকাশকাল: 23 ফেব্রুয়ারি 2013 - 5:39অপরাহ্ন
পরিবর্তন আজ হউক বা আগামী কাল সামন্ত মূল্যবোধের সঙ্গে অসম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক শক্তির সংঘর্ষে যেতেই হবে। দেশের সংস্কৃতিতে গত ৪০ বছর যাবত সামন্ত মূল্যবোধ (বিশেষ করে ধর্ম) প্রাধান্য ধরে রাখার চেষ্টা করছে। কিছু গণতান্ত্রিক মানুষ এসবের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নভাবে সংগ্রাম করে আসলেও সামগ্রীক বিবেচনায় তারা কোন আধুনিক মূল্যবোধের আন্দোলন করতে পারেননি। অর্থাৎ ধর্মমুক্ত উদার গণতান্ত্রিক সমাজের রাজনীতি ও গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। (এবিষয়ে আগের পর্বগুলোতে আলোচনা করেছি)। তাদের সংগ্রাম মূলত করতে হচ্ছে, এখনো অনেক সময় করতে হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে। আগামীতে বিশেষ করে শাহবাগের আন্দোলনের
লিখেছেন: এমদাদুল হক তুহিন • প্রকাশকাল: 22 ফেব্রুয়ারি 2013 - 9:47অপরাহ্ন
আস্তিকতা বা নাস্তিকতা কিছুই বুঝি না
আমি হিন্দুও না আমি মুসলিমও না
আমি খ্রিস্টান নয় আমি বৌদ্ধও নয়
আমি মানুষ, আমি মানুষ, মানুষ!
আমি মুক্তমনাও নয়,
আবার সংকীর্ণতাতেও নেই
আমি বাম বা ডান পন্থীও না
আমি শুধুই জনতার দলে,
আমি জনতার দলে, জনতার দলে।
আমি মানুষের দলে, মানুষের দলে!
আমরা আমার ভাইয়েয়ের রক্তের কথা বলি
আমারা বোনের সম্ভ্রম হারানোর ব্যথা জানি
লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম • প্রকাশকাল: 22 ফেব্রুয়ারি 2013 - 8:23অপরাহ্ন
সারাদেশ জুড়ে আজকে জামাত-শিবিরের তাণ্ডবে এটা প্রমাণিত যে তারা আরো আগে থেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুতি এবং যথাযথ পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছে। জুম্মার নামাজের পর নিজেদের শক্তি নিয়ে দেশব্যাপী তারা যেভাবে গণজাগরণ মঞ্চের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে শহীদ মিনার ভাঙচুর, পতাকা ছেঁড়া, সাংবাদিক-পুলিশ সহ বহু মানুষকে হতাহত করেছে এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে তাতে স্বাধীনতার পর প্রায় অপাঙক্তেয় হয়ে যাওয়া এই চক্র বর্তমানে অর্থ ও শয়তানি বুদ্ধির জোরে নিজেদের কতোখানি শক্তিশালী করে তুলেছে সেটা ভালোভাবেই বোঝা যায়। তবে এই আক্রমণ পরিচালনার আগে তারা এর ভিত্তি তৈরি করেছে, এক ধরনের ন্যায্যতা সৃষ্টি করেছে জনমানসে। গত এক সপ্
লিখেছেন: আবিদুল ইসলাম • প্রকাশকাল: 21 ফেব্রুয়ারি 2013 - 11:52অপরাহ্ন
গত শতাব্দের মাঝামাঝি ভারতবর্ষ ভেঙে দুইভাগ হওয়ার পরপরই তৎকালীন পূর্ব বাংলায় যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ দেখা দিয়েছিল সেটা পরিচালিত হয়েছিল পাকিস্তানি রাষ্ট্রকাঠামোর বিরুদ্ধে। সোজাসাপ্টা অথবা সরাসরি ভাষায় তা পাকিস্তানি রাষ্ট্রকাঠামোকে চ্যালেঞ্জ না জানালেও তার মূল সুর কিন্তু ছিল সেটাই। উপমহাদেশজুড়ে বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন যাতে ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের রূপ নিতে না পারে সেই লক্ষ্যে বৃটিশ সরকার তাদের 'বিভেদ করে শাসন করা'র নীতি অনুসারে চক্রান্ত বাস্তবায়ন করে আসছিল আরো এক শতক আগে থেকেই। এ অঞ্চলের মানুষের গণসংগ্রামের ইতিহাসকে সাম্প্রদায়িক রূপ দিয়ে তাদের ভাড়াখাটা ঐতিহাস
লিখেছেন: কুম্ভীলক • প্রকাশকাল: 21 ফেব্রুয়ারি 2013 - 11:27অপরাহ্ন
এক হোঁদল কুতকুত ছাত্রলীগ নেতা যার আন্দোলন কবে থেকে শুরু হয়েছে সেই জ্ঞান নেই অথচ বক্তৃতা দিতে উঠেই, "আমরা প্রথম দিন থেকে আন্দোলনে আছি এই কি আমাদের দোষ?" সমাবেশ শেষে ইমরান এইচ সরকার যখন দাবিদাওয়া ও পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা দিচ্ছেন তখনও সে দাড়িয়ে ওখানেই, পাশে।ইমরান যখন বক্তব্য দিচ্ছেন, ঠিক তখন ওই ছাত্রনেতার ভুমিকা কি?
লিখেছেন: নিরন চাকমা • প্রকাশকাল: 21 ফেব্রুয়ারি 2013 - 8:24পূর্বাহ্ন
লিখেছেন: মনোজিৎ মিত্র • প্রকাশকাল: 20 ফেব্রুয়ারি 2013 - 4:58অপরাহ্ন
ক্ষমতার রাজনীতি মানুষের ভাষা বুঝতে চায় না, আর সেই ক্ষমতার ঘেরটোপে বাস করা মানুষেরা রাজনীতির ভাষা বোঝে না। ক্ষমতা বোঝে ক্ষমতা, ক্ষমতা বোঝে বেয়নেট, রাইফেল, আঁতাত, বেইমানি, মিথ্যাচার, লুটপাট। জনগণ ক্ষমতার গাধার পাল। তাদের বোঝা বহনের পিঠে বারুদ আর বস্তার তফাৎ কোথায়? বাংলাদেশ জুড়ে যা চলছে তা কি গণ-জাগরণ?
Pages