slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ : আমাদের গ্লানি

নিজেদের ন্যায্য পাওনা জমিতে ঘর করে থাকার অপরাধে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। কয়েক শত ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। নির্যাতনে আহতদের হাসপাতালে হাতকড়া লাগিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। কয়েক হাজার নিঃস্ব মানুষকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, নারী শিশু বৃদ্ধসহ সবাই তারা না খেয়ে খোলা আকাশের নিচে দিনরাত পার করছেন। আর এসবই করেছে আমদের সরকার তার পুলিশ র‍্যাব আর দলীয় লোকদের দিয়ে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এই ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার মূলত ভূমিহীন সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর মানুষ। বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে তারা বাংলাদেশের নাগরিক, জাতিতে বাংগালি। যদিও বাংলাদেশ রাষ্ট্র বা বাংগালি জাতি তাদের পাশে দাঁড়ায়নি। সাঁওতালদের অনেকেই খৃষ্ট ধর্মের অনুসারী, আবার অনেকে সনাতন হিন্দু ধর্ম পালন করেন। ধর্মীয় একাত্মবোধ থেকে কেউ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি।

দেশের সামান্য কয়েকজন মানুষ, যাদের সংখ্যা দুই হাতের আংগুলে গুনে শেষ করা যায়, প্রতিবাদ করছেন।
অথচ দেশে মানবাধিকার, উন্নয়ন, গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ধর্মীয় অনুভূতি, ন্যায় বিচার ইত্যাকার আলাপ বহাল আছে।
আমরা এসব মেনে নিয়ে শান্তিতে আছি, নানান তাইরে নাইরে করছি।

নিতান্ত একটি অসভ্য রাষ্ট্রের অসভ্য নাগরিক না হলে এতটা নিচে নামা আমাদের পক্ষে সম্ভব হত না।

12345
Total votes: 68

মন্তব্য

খালিদ-র ছবি

বাঙালির ধন-সম্পদ হবে, অনেক কিছুই হবে, ২০৪১ এর আগেই উন্নত বিশ্বের নাগরিক হবে তারা, ২১০০ সালের মধ্যে মায়ের পেটের শিশুও হাজার কোটি টাকার মালিক হবে, কিন্তু, আমার দৃঢ় বিশ্বাস তারা কোনদিন মানুষ হবে না। প্রাচীনকালে কোন  এক বিদেশি পরিব্রাজক বলেছিলেন, বাঙলা একটি ধন-সম্পদপূর্ণ নরক, এখনও তাই আছে, ভবিষ্যতেও তাই থাকবে।

মন্তব্য