slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

জিয়া ১৫ আগস্ট ষড়যন্ত্রে জড়িত তা অনুমান নির্ভর জিয়ার নির্দেশ না মেনে এরশাদ ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন(5)

 ১৫ আগষ্টের ঘটনাবলির পেছনে জিয়াউর রহমানের ষড়যন্ত্র আছে। এমন একটা অভিযোগ শোনা যায়। এটি কতটা অনুমান নির্ভর এবং কতটা যৌক্তিক এ নিয়ে গবেষণা বা অনুসন্ধান হয়নি। বিএনপি সময় অসময় বইয়ে লেখক মহিউদ্দিন আহমেদ বইয়ে উল্লেখ করেছেন, শেখ মুজিব নিহত না হলে জিয়ার উত্থান হতে পারতো না। কিন্তু এটাও ঠিক স্বাভাবিক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে সফিউল্লা নন জিয়াই হতেন সেনাবাহিনীর প্রধান।

একটা মাত্র উদাহরণ উল্লেখ করা হয় যাহলো তারঁ সঙ্গে দেখা করে রশিদের কথা বার্তা তিনি সফিউল্লাকে জানাননি । কিন্তু দুটি ঘটনা উল্লেখ করা যায়, জিয়া নিজে সরাসরি কোন ষড়যন্ত্র করেননি কিন্তিু ষড়যন্ত্রের সুবিধা ভোগ করেছেন। প্রথম ঘটনাটি হলো, ১৫ আগষ্টের ঘটনা কর্ণেল শাফায়াত জামিলের কাছ থেকে শুনে জিয়া কিছুটা হত চকিত হয়ে গেলেন। তবে বিচলিত হলেন না। জিয়া বললেন, সো হোয়াট, প্রেসিডেন্ট ইজ ডেড? ভাইস প্রেসিডেন্ট ইজ দেয়ার। গেট ইউর ট্র–প রেড্ািপহোল্ড দ্যা কনস্টিটিউশন। দ্বিতীয় ঘটনাটি পরের দিনের।<br /> সদ্য পদোন্নোতি প্রাপ্ত মেজর জেনারেল এরশাদ জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। প্রশিক্ষণের জন্য তার ভারত থাকার কথা। জিয়া রেগে গিয়ে এরশাদকে বলেন, আপনার মতো লাগাম ছাড়া অফিসারদের জন্যই জুনিয়র অফিসাররা রাষ্ট্রপ্রধানকে হত্যা করে দেশের ক্ষমতা দখলের মতো কাজ করতে পেরেছে। জিয়া তার ডেপুটি এরশাদকে তাক্ষণিক দিল্লি ফিরে যেতে নির্দেশ দেন। এবং বঙ্গ ভবনে যেতেও মানা করেন। কিন্তু সেনাপ্রধানের আদেশ অমান্য করে এরশাদ রাতে বঙ্গ ভবনে যান এবং অনেক রাত পর্যন্ত অভ্যূত্থানকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। 

12345
Total votes: 177

মন্তব্য