slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

প্যাকেজ পিকেটিং বনাম সাংবাদিকতা

অবশেষে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হবার ঘটনা, নাড়া দিয়েছে প্রধান বিরোধীদলের নীতি নির্ধারকদের। একটানা কর্মসূচীর ডাক দিয়েছেন তারা। দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সংবাদ সম্মেলন ডেকে দেশবাসীকে জানিয়েছেন, যতদিন সরকার ইলিয়াস আলীকে ফেরত না দিবে ততদিন তাদের কর্মসূচী চলবে। প্রথম দফায় গত মাসের ২২, ২৩ তারিখ হরতালের ঘোষণা দিলেন এরপর আরো একদিন বাড়ানো হলো অর্থাৎ ২৪ তারিখও হরতাল। তারপর কি মনে করে চারদিন গ্যাপ দিয়ে আবার ২৯ ও ৩০ তারিখ হরতাল ডাকা হলো কিন্তু ইলিয়াস আলী ফিরে এলোনা।


শুধু নেতা ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়া নয়, বাংলাদেশের যেকোন নাগরিকের ক্ষেত্রে এ ঘটনা বেদনাদায়ক এবং দায়টাও রাষ্ট্রের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর। আজ এ ধরনের কথার জটিল রাজনৈতিক বিশ্লেষনের জন্য ব্লগ লিখছিনা।  সাংবাদিকতার শুরুতে আমার গুরু বলেছিলেন, "আপনি প্লিজ শিশু হয়ে যান, মনে করবেন আপনি কিছুই জানেন না, বোঝেনও না।" সেই না বোঝা আমার কিছু অভিজ্ঞতা লিখে রাখছি এবং এই লেখা আমারই জন্য।


গল্প: ১


১ জন সংসদ সদস্য সমান কতজন মানুষ...?


হরতালের প্রথমদিন থেকেই ঘুম হারাম হয়ে গেল। ভোর সাড়ে চারটায় অফিসের গাড়ি আসবে। আমরা যারা টেলিভিশনের সাংবাদিকতা করি তাদের কাছে সংবাদের চেয়ে সংবাদের ছবিটা বড়। তাই ছবি মিস করা চলবেনা। আমরা তাই বিভিন্ন স্পটে ক্যামেরা নিয়ে পাহারা দেই। বিষয়টা অনেকটা এমন যে, আপনি বাসায় ছিলেন, আপনার কাছে বাচ্চাটা রেখে গেলাম, সে কিভাবে টেবিল থেকে পড়ে গেল? এই জবাব কিন্তু দিতেই হবে আপনাকে। তাই কোথাও ককটেল বা গাড়িতে আগুন অথবা গাড়ি ভাংচুর যাই হোক...ছবিটা পেতেই হবে। আমার ডিউটি মিরপুর ও সংসদভবন এলাকা। মিরপুর কোন মাঠ নয়, বিরাট এলাকা সাথে সংসদ ভবন  ও তার আশপাশ। আমি সকাল সাড়ে ছয়টায় মিরপুর গোল চত্বরে গিয়ে হাজির হলাম। একাধিকবার চক্কর দিলাম সংসদ ভবন থেকে মিরপুর ১০, ২, ১ হয়ে শ্যামলী, আসাদ গেট, সংসদ ভবন আবার ১০। ছবি মিস না করার সাংবাদিক সুলভ যত কায়দা আছে সবই করলাম। তারপর সংসদ এলাকায় এসে বসলাম...সকালের সুন্দর সোনালী রোদ। কোথায় মিছিল? কোথায় পিকেটার? কিছুই নেই...আমি লোকালা নেতাদের ফোন করা শুরু করলাম..কারো ঘুমই ভাঙ্গেনি..


সকাল ৯ টার দৃশ্য..রিপোর্টর এবং ক্যামেরাম্যান, ফটোগ্রাফার সব মিলিয়ে ৩৫ থেকে ৪০ জনের সমাগম হয়ে গেছে জাতীয় সংসদের দক্ষিন প্লাজায়। সরকারি হিসেবে বাংলাদেশের পুলিশ সদস্য ১ লাখ ৪৭ হাজারের কিছু বেশি। আইন শৃংখলা রক্ষার জন্য প্রতি ১ হাজার মানুষের জন্য রয়েছে ১ জন পুলিশ। অথচ সংসদের দক্ষিন প্লাজায় মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ২ শ পুলিশ দাড়িয়ে আছে। বিরোধী দলের হরতাল সমর্থকরাও আসতে শুরু করেছে। সকাল সাড়ে ৯ টায় মোট ১২ জন সংসদ সদস্যের একটি মিছিল বের হলো। তাহলে একজন সদস্যের জন্য দাড়ালো প্রায় ১৭ জন পুলিশ। সুতরাং একজন সংসদ সদস্য সমান ১৭ হাজার মানুষ। এছাড়া গোটা এলাকায় কোথাও কোন পিকেটার বা হরতালের সমর্থক আমার চোখে পড়েনি...


হরতালের ২য় দিন...


একই এলাকায় আমার ডিউটি... দুপুর বারোটা পর্যন্ত আমি কোথাও স্থীর হইনি, ঘুরে বেড়িয়েছি। হঠাৎ অন্য এক চ্যানেলের প্রতিবেদক জানালো মিরপুরে স্টেডিয়ামের পাশে মিছিল বের হবে। আমি সেখানে গেলাম। অনেকক্ষন পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম। কোথাও পিকেটার বা মিছিল নেই। এক গলির মাথায় গিয়ে দেখলাম অনেকগুলো চ্যানেলের গাড়ি দাড়িয়ে আছে। আমিও তাদের সাথে দাড়িয়ে থাকলাম। পুলিশ চলে আসাতে সেখানে নাকি আর পিকেটাররা আসবেনা। আমি সারাদিন ঘুরে আমার মনে হোল যান চলাচল স্বাভাবিক কোথাও কোন পিকেটার অথবা অপ্রীতিকর ঘটনা নেই অথচ সকল টেলিভিশনের রিপোর্টে গাড়ি ভাংচুর, ককটেল বিস্ফোরন, গাড়িতে আগুনের ছবি দেখিয়েছে। আমাদের টিভিও দেখিয়েছে কিভাবে কারওয়ান বাজারে একটি গাড়িতে পিকেটাররা তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিলো।


হরতালের ৩য় দিন...


আমার ডিউটি শাহবাগ এলাকায় পাহারায় থাকা যদি কোন ঘটনা ঘটে...আমি আজ আর মিস করতে চাইনা...বিকেল থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত শাহবাগের মোড়ে বসে থাকলাম ক্যামেরা রেডি করে...সন্ধ্যায় অফিস থেকে কল এলো - শিমুল আপনি কোথায়? আমি বললাম শাহবাগ এলাকায়, অফিস থেকে জানালো, শাহবাগের মোড়ে দোতলা বাসে আগুন লেগেছে...আমি বললাম, আমি শাহবাগ মোড়েই আছি। অফিস থেকে জানালো একটু ঘুরে দেখেন...আমি বোকা হয়ে গেলাম...আমি আবার শাহবাগের আশপাশের এলাকায় গাড়ি নিয়ে ঘুরে দেখলাম কোথাও আগুন নেই। নয়া পল্টন বিএনপির দলীয় কার্যালযে রয়েছে আমাদের একজন প্রতিবেদক অফিস তার ফোন নাম্বার দিয়ে তার সাথে যোগাযোগ করতে বললো। আমি করলাম, ওই প্রতিবেদক আমাকে জানালো শিশু পার্কের সামনে বিআরটিসির দোতলা বাসে আগুন লেগেছে আপনি সেখানে যান। আমি তাকে জানালাম, আমি শিশু পার্কের সামনেই দাড়ানো আছি কিন্তু আগুন দেখছিনা কোথাও। তিনি আমাকে বললেন, আমি কনফার্ম হয়ে আপনাকে জানাচ্ছি..আমি অপেক্ষা করলাম, পরে তিনি ফোন করে আমাকে জানালেন, আপনি আশেপাশে একটু চক্কর দেন...আমি দিলাম কোথাও আগুন নেই। একটু পরে শাহবাগ থানা থেকে একটি ফোন এলো...একজন আটক আছে। বিআরটিসি দোতলা বাসে আগুন দেয়ার সময় হাতে নাতে ধরা পড়েছে এক যুবক। আমি যুবকের সাথে কথা বললাম। যুবক মৎস ভবন এলাকা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী বহনকারী বিআরটিসির ভাড়ায় চালিত গাড়িতে ওঠেছিলেন। শিশু পার্কের সামনে এলে গাড়ির দোতলায় পেট্রোল ঢালার সময় কন্ডাকটরের কাছে হাতে নাতে ধরা পড়েছে ওই যুবক।


৪র্থ হরতাল...


নয়া পল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে আমি দাড়িয়ে ..এখানে প্রায়ই ককটেল বিস্ফোরণ হয়। ক্যামেরাম্যানরা ছবিও পায়। আমি নিশ্চয়ই পাবো। শত শত পুলিশ দাড়ানো। হরতাল শেষ হয়ে গেল। দলীয় কার্যালয় থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বের হয়ে গেলেন। দপ্তর সম্পাদকও বের হলেন। ৯০ এ রাজপথ কাপাঁনো নেতা আমান ও বের হলেন। আর কেউ নেই কার্যালয়ে। আমি ককটেলের ছবি পেলামনা। হঠাৎ একটি ছেলে এসে আমার সামনে দাড়ালো। চুল পরিপাটি করে আচড়ানো। প্যান্ট ইন করা। শিশু সুলভ চেহারা। দুহাত পেছনে রেখে কাছে এস দাঁড়িয়ে বললো...ও... শূণ্য চ্যানেল। আমি বললাম, আপনি? ছেলেটি বললো, আমি মিডিয়াতে কাজ করতে চাই, একটা কিছু করেন। আমি বললাম, কেন কাজ করতে চান? ছেলেটি বললো, ভালো লাগে। আমি ভাবলাম সাগর- রুনি হত্যাকান্ডের কথা, এই সমাজে সাংবাদিকদের নানারকম গ্লাণির কথা। ছেলেটিকে জিঙ্গাসা করলাম, কাজ করতে চান ভালো কথা কিন্তু এখানে কেন? কি করেন আপনি? ছেলেটি বললো, " আমি ইন্টার পাশ করেছি এখন অনার্স ফার্ষ্ট ইয়ার...হিস্ট্রি।" আমি ইতিহাস পছন্দ করি। ভাবলাম যাক একা একা চুপচাপ দাড়িয়ে না থেকে ছেলেটির সাথে ইতিহাস নিয়ে কথা বলা যাক। কিন্তু ছেলেটির ইতিহাস নিয়ে একটুও আগ্রহ নেই। ছেলেটি রাজণীতি নিয়ে কথা বলতে চায়। আমি মজা পেলাম। ছেলেটি জানালো, সে সুদূর মৌলভিবাজার থেকে হরতাল জেনেই নয়া পল্টন এসেছে। এখানে অনেক সাংবাদিক আসে হরতালের দিন তাই সে এখানে এসেছে। রাজণীতি নিয়ে তার অনেক আগ্রহ। সে ইলিয়াস আলী যে আর জিবিত নেই সেই বিষয়ে নিশ্চিত। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি করে জানলেন? সে বললো, "আমি জানি, তার হাড্ডিও নেই।" আমি বললাম আপনার এতো নিশ্চত হবার মূল কারণ কি? সে বললো, ইলিয়াসের স্ত্রী ও তার এলাকাবাসীর কথা। আমি বললাম, যেমন? সে বললো, যেমন তার স্ত্রী বলছে, যেকোন কিছুর বিনিময়ে তিনি ইলিয়াস আলীকে জিবিত  ফেরত পেতে চান। আর এলাকাবাসীরও কেউ মনে করেনা ইলিয়াস আলী জিবিত  আছেন। ছেলেটি বললো, এরআগে যারা নিখোঁজ হয়েছেন তারা আর ফিরে আসেননি। আমি বললাম, তাতে কি প্রমান করে যে, ইলিয়াস আলী আর জিবিত নেই? ছেলেটি মুচকি মুচকি হাসতে থাকলো...হঠাৎ বললো, আমাকে একটা সুযোগ দেন, আমি এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন করে আপনাদের প্রমান করে দিবো ইলিয়াস আলী আর জিবিত নেই। আমি চমকে গেলাম। আমি বললাম, আপনার সাথে পরে কিভাবে যোগাযোগ করবো? ছেলেটি এবার তার দু হাত সামনে এনে একটি খাম খুলতে শুরু করলো।


(গল্পটি এখানেই শেষ। দয়াকরে আমার বাংলা আর বানান যদি এডিটরদের  কেউ ঠিক করে দেন আমি কৃতজ্ঞ থাকবো)


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সামনে ককটেল ফুটলো, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাড়িতে আগুন লাগলো, বিরোধী দলের নেতাদের নামে মামলা হোল। বাড়িতে তল্লাশি চালানো হলো। আটকও হোল কেউ কেউ। তল্লাশী চলছে...আরো চলবে। আরো মামলা হবে। হরতালের ডাক দেয়ার মতো কোন নেতা আর বাইরে থাকবেনা।


 

12345
Total votes: 31

মন্তব্য

শশাঙ্ক বরণ রায়-র ছবি

একটানে পড়লাম। সংবাদের পেছনের সংবাদ, সাংবাদিক, সংবাদ মাধ্যম আর রাজনীতির সরল আলাপ...।

এটাকে সিরিজ বানানো যায়? খুব অপেক্ষায় থাকব পরে আরও আরও আলাপ পড়ার জন্য।

........................................................

আদিবাসী বাঙ্গালী যত প্রান্তজন
এসো মিলি, গড়ে তুলি সেতুবন্ধন

আজাদ-র ছবি

আমিও একটানে পড়লাম। শেষ তিনটা লাইন বাদে দিলে অসাধারণ। গল্প শেষ করে আবার ঐ শেষ তিনটা লাইন কেন যুক্ত করলেন তা অবশ্য আপনিই ভাল জানেন।

তবে শশাঙ্কর সাথে সুর মিলিয়ে বলতে চাই, অপেক্ষায় থাকবো সংবাদের পিছনের এই সংবাদ নিয়মিত জানার জন্য, পড়ার জন্য। সংবাদের পিছনের সংবাদেই আসল সংবাদ থাকে। পিছনের সংবাদে মানুষের আগ্রহও বেশি থাকে যদিও সাধারণ মানুষ সবসময়ই সে স্বাদ থেকে বঞ্চিত হয়, বঞ্চিত হয়ে রঙ্গিন সংবাদ নিজেরাই তৈরী করে কখনও কখনও। 

অপেক্ষায় থাকলাম পরের সংবাদের জন্য...

আমাদের ভালবাসাই উন্মোচনের প্রাণ ...

শশাঙ্ক বরণ রায়-র ছবি

শেষ তিনটা লাইন নিয়ে আমার একটু ভিন্ন ভাবনা আছে। লেখাটার অন্যতম দিক হচ্ছে উপস্থাপিত বাস্তবতা বনাম প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরা। লেখক মাঠে ছিলেন, নিজের চোখে দেখেছেন আর আমরা দেখেছি মিডিয়ার চোখে। এবার মিডিয়ার দেখার সাথে লেখকের দেখাকে মেলানোর সুযোগ হল আমাদের। 

সরকারের মামলা তো সেই মিডিয়ার অতিরঞ্জিত উপস্থাপনকে সুরঞ্জিত করে দেখায়। সেটাই আরকি।

........................................................

আদিবাসী বাঙ্গালী যত প্রান্তজন
এসো মিলি, গড়ে তুলি সেতুবন্ধন

কোথায় জানি খটকার মত ছিল, তৃতীয়বারের মত খোঁজাখুঁজি করতেই কথাটা চোখে পড়ল,


সাংবাদিকতার শুরুতে আমার গুরু বলেছিলেন, " আপনি প্লিজ শিশু হয়ে যান, মনে করবেন আপনি কিছুই জানেন না, বোঝেনও না।'' সেই না বোঝা আমার কিছু অভিজ্ঞতা লিখে রাখছি এবং এই লেখা আমারই জন্য।

 

সত্যই এই দুই-মহাজোটিয় খেল পাবলিকের বুঝের বাইরে! ফিল্ডে থাকা একজন সংবাদকর্মীর অভিজ্ঞতাও যা থেকে খুব আলাদা না। যে ইস্যুতে আন্দোলন  তাতে সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নাই, আর তাই পিকেটিং'টা প্যাকেজ। আবার ঐদিকে এই ভুয়া ইস্যুতে আন্দোলন কইরাই সব গ্রেফতার(?), ভাবখানা এমন যেন এরা গণ-মানুষের স্বার্থ উদ্ধারে নামছিলেন! যেখানে, যে লোকটা আগুনে পুইড়া মরলো বা ইলিয়াস আলীর ড্রাইভারদের কোনও অস্তিত্বই এদের চিন্তাজগতে নাই! ঐদিগে, সরকার দলের তরফে তাদের নেতাকর্মীগো মাঠে থাকতে নির্দেশ! দুই-জোট মিল্লা জনগণের সাথে যেন এক সাজানো নাটকের মহড়া দিতাছে! এই নাটকেই কিছুই আমরা বুঝতেছিনা।

আরো পর্ব আশাকরি।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

 রিপোর্টারের ডায়েরিটি খুব প্রাণবন্ত। এটি ধারাবাহিক হয়ে ওঠার দাবি রাখে। চলুক। 

 কোন না কোন পাপের পানিশমেন্টই সাংবাদিকতা সত্য মিথ্যার সাথে সারা জীবন চুর পুলিশ খেলা।

লিখা শেষ করে আবার শুরু করা প্রেমিকার চিঠি শেষের দুই লাইন, হাতের লিখা সুন্দর হলনা তুমি বুজে নিও।

চলুক ধারাবাহিক।শুভ কামনা।

মন্তব্য