slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

লাশকাটা ঘর

শোনা গেল লাশকাটা ঘরে/নিয়ে গেছে তারে;/কাল রাতে - ফাল্গুনের রাতের আধাঁরে...

এক। একের পর এক সাপ্তাহিকীতে কলম-পেষার পর নয়ের দশকের শুরুতে দৈনিক আজকের কাগজে তিন হাজার+ অনিয়মিত বেতনে ক্ষুদে রিপোর্টার হিসেবে প্রথম চাকরীতে যোগদান। সেই সময় দুর্ধর্ষ ক্রাইম রিপোর্টার আমিনুর রহমান তাজ (এখন অবসর জীবনে) ভাইকে দেখে অধমেরও শখ জাগে ওনার মতো খ্যাতনামা ও ক্ষমতাধর ক্রাইম রিপোর্টার হওয়ার। শুরু হয় তাজ ভাইয়ের পেছনে ঘোরাঘুরি।

তখনই বোঝা হয়ে গিয়েছিলো, সাংবাদিকতায় রাজনৈতিক ও অপরাধ বিষয়ক রিপোর্টারদের সবচেয়ে বেশী বাজারদর। ক্ষমতার পাল্লাটিও বেশ ভাড়ি।

কিন্তু তাজ ভাই কিছুতেই এই পুঁচকে সাংবাদিককে তার দলে নেবেন না। তার এক কথা, তুই তো চ-ব-খ দিয়ে কথাই বলতে পারিস না! তোর মতো ভদ্র ছেলে দিয়ে ক্রাইম রিপোর্টিং হবে না। ক্রাইম রিপোর্টিং কোনো ভদ্রলোকের পেশা না। গুডি বয় - চকলেট বয়রা এই বিটে টিকতে পারে না। তুই তো থানায় গিয়ে ওসির দরজায় নক করে বলবি, মে আই কাম ইন স্যার? আর ওসি মনে করবেন, এইডা আবার কোন ছাগল!

মুখ ফসকে বেরিয়ে আসে, অ্যাঁ!

তাজ ভাই বলেন, ঠিকই বলছি। শোন, এদেশে হেরাল্ড ট্রিবিউন বা আশাহি সিম্বুনের সাংবাদিকতা চলবে না। ক্রাইম রিপোর্টার হতে গেলে, থানার দরজায় লাথি মেরে ওসির রুমে ঢুকবি । টেবিল চাপড়ে বলবি, এই ব্যাটা ওসি, আমি ক্রাইম রিপোর্টার বিপ্লব। জলদি আমার জন্য এক প্যাকেট বেনসন আনান! তখন ওসি মনে মনে বলবেন, এই তো একজন জাত সাংবাদিক এসেছেন! বুঝলি?

দুই। অনেক কষ্টে চা - সিগারেট খাইয়ে, ফুটফরমাশ খেটে দিয়ে তাজ ভাইয়ের মন গলানো গেলো। লেগে পড়া গেলো শখের ক্রাইম রিপোর্টিং-এ।

একদিন তাজ ভাই ডেকে বললেন, এই শোন, তুই তো খুব ভদ্র ছেলে, মর্গে বেশি ঘোরাঘুরি করবি না!

-- কেনো তাজ ভাই?

- কোনো প্রশ্ন করিস না। যেটা বলেছি, সেটা শোনার চেষ্টা করিস। নইলে রাতে ভয়ের স্বপ্ন দেখবি।

-- রাতে ভয়ের স্বপ্ন দেখি তো!

- মানে?

-- ইয়ে... প্রায় রাতেই ভয়ংকর সব ভয়ের স্বপ্ন দেখি। ঘুমের ঘোরে দেখি, বিছানায় শুয়ে আছি, আমার মাথার ওপর দিয়ে পোস্ট মর্টেম করা কাঁটাছেড়া বিভৎসব সব নগ্ন লাশ একের পর এক উড়ে যাচ্ছে! তখন ভয়ের চোটে ঘুমের ভেতর ছটফট করি। ঘুম ভেঙে গেলে দেখি, পুরো শরীর ঘামে ভিজে গেছে। গ্লাসের পর গ্লাস পানি খাই; তবু তৃষ্ণা মেটে না!

তাজ ভাই তার নবাগত শিষ্যের করুন হাল দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। তার মুখে বাক্য সরে না।

এবার পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, তাজ ভাই, আপনার কী অবস্থা? আপনিও কী ভয়ের স্বপ্ন দেখেন?

তার সরল জবাব, আমার কথা আর কী জানতে চাস? আমি তো এখন মর্গে বসে ভাতও খেতে পারবো!

তিন। বলা ভালো, সে সময় ডিএমসি'র (ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) মর্গের বেহাল দশা যারা না দেখেছেন, তাদের পক্ষে একটু বোঝা মুশকিল, মর্গ কতোটা বিভৎস হতে পারে!

এখনকার মতো এসি তো দূরের কথা, তখন মর্গে ফ্যানও লাগানো ছিলো না। সেখানে সারিবদ্ধ স্টিলের স্ট্রেচারে ফরমালিন দেওয়া লাশগুলো সংরক্ষণ করার যেনো একটা প্রহসন হতো। আর প্রায়ই ফরমালিনের অভাবে পঁচন ধরতো লাশে। মর্গের আধ মাইল দূর থেকে পাওয়া যেতো লাশের বোঁটকা দুর্গন্ধ।

এই অধমদের মতো পুঁচকে ক্রাইম রিপোর্টারদের কোনো মৃত্যূর খবর নিশ্চিত করতে ছুটে যেতে হতো ওই মর্গেই। তখন মর্গের অধিপতি ছিলেন মাঝ বয়সী সুদর্শন রমেশ ডোম। স্বীকার করা যাক, বয়সে ছোট বলে রমেশ দা'র কাছে নবীন সাংবাদিকের খাতির অন্যদের চেয়ে একটু বেশীই ছিলো।

ফিনফিনে সিল্কের সাদা পাঞ্জাবি - লুঙ্গী, সোনার চেন, আর আট - দশটি ঝলমলে আংটিতে কে তাকে দেখে বলবেন যে, তিনি একজন পেশাদার ডোম! তাদের কয়েক পুরুষের পেশা-- লাশ কাটা।

একবার খুব শখ হলো, পোস্ট মর্টেম বা ময়না তদন্ত দেখার। রমেশ দা কিছুতেই রাজী হন না। অনেক বলে-কয়ে তাকে রাজী করানো গেলো। অবাক হয়ে দেখা গেলো, একজন ডাক্তার উলঙ্গ এক বৃদ্ধর লাশের (ডিএমসির ভাষায়: বডি) এখানে - সেখানে ছড়ি দিয়ে ইঙ্গিত করছেন। রমেশ দা ভাবলেশহীনভাবে স্কালপেল দিয়ে লাশ কাঁটাছেড়া করছেন। পরীক্ষা - নীরিক্ষা শেষে হাঁটু মুড়ে বসে লেপ - তোষক সেলাই করার মতো আবার সেই লাশ জোড়া দেন তিনি। এবার অবশ্য দু - তিনজন সহকারী তাকে সহায়তা করেন।

চার। একবার রমেশ দা'কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল 'লাশ খেকো খলিলুল্লাহ'র কথা। তিনি শুধু বলেন, চিনতাম গো দাদা। ওই কথা ছাড়া অন্য যে কোনো কথা কন।

এরপর কিছুতেই তিনি এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাইতেন না।

অনেকেরই হয়তো মনে থাকবে, খলিলুল্লাহর কথা। বিষয়টি জানা গেছে, সাবেক নকশালাইট বাবা আজিজ মেহেরের ব্যক্তিগত বইয়ের ভাণ্ডারে ঘেঁটে। সাতের দশকে সাহাদাত চৌধুরী সম্পাদিত জনপ্রিয় 'সাপ্তাহিক বিচিত্রা'র একটি পুরো প্রচ্ছদ প্রতিবেদন ছিলো এই নিয়ে ।

সাদাকালো প্রচ্ছদে খলিলুল্লাহ মানুষের লাশ খাচ্ছেন, এমন একটা ছবিও ছাপা হয়েছিলো।

খলিলুল্লাহও ছিলেন ঢাকা মেডিকেলের তালিকাভুক্ত ডোমদের একজন। তখন ডোমদের মধ্যে প্রচলিত বিশ্বাস ছিলো, লাশের কলজের একটু খানি কাঁচা খেলে নাকি মনে সাহস বাড়ে, লাশ কাটতে সহজ হয়। এই ভাবে মরা মানুষের কলজে খেতে খেতে খলিলুল্লার মানসিক বিকৃতি ঘটে।

তিনি শেষ পর্যন্ত আজিমপুর গোরস্থান থেকে লাশ চুরি করে কলজে ছিঁড়ে খাওয়া শুরু করেন! বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ঢাকা জুড়ে দেখা দেয় খলিলুল্লাহ - আতঙ্ক।...

পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠায়। শোনা গেছে, একেবারে শেষ বয়সে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে খলিলুল্লাহ নাকি আজিমপুর গোরস্থানের গেটে বসে ভিক্ষে করতেন। এই করতে করতে শেষে তিনি মারা যান।

পাঁচ। আরেকদিন ধরা গেলো রমেশ দা'কে, আচ্ছা দাদা, কোনো রাতে লাশ কাটতে ভয় পেয়েছেন?

রমেশ দা হাসেন, আরে না রে বোকা। আমাদের আবার ভয়ডর কি! আমাদের ভয় করলে চলে? তয় যে রাতে বডি বেশী কাটতে হয়, তার আগে একটু 'বাংলা' মাইরা লই। মনে বল পাওয়া যায়, কাজও হয় ভালো।

তিনি নিজে থেকেই বলেন, আমি কোনো বডির মুখ - শরীর, কিছুতেই মনে করতে পারি না। তবে একটা মাইয়ার মুখ সারা জীবন মনে থাকবে গো দাদা!

-- কোনো? কী হয়েছিলো তার?

- সুইসাইড কেইস। প্রেমে ব্যর্থ হইয়া বিষ খাইছিলো। এই ধরো ১৭ - ১৮ বছর বয়স হইবো। কি যে সোন্দর আছিলো দেখতে! তখন আমার বয়সও ছিলো কম। বাপের কাছে নতুন নতুন বড়ি কাটা শিখছি। তো সেই বডি কাটতে কিছুতেই মন সায় দেয় না। বার বার মনে হয়, এতো সুন্দর নিস্পাপ মাইয়াটারে আমি কাইটা ফেলবো? এই মাইয়াটা যদি ব্যাথ্যা পায়? যদি তার অভিশাপ আমার গায়ে লাগে? ... এদিকে ডাক্তার সাব আমারে খালি ধমকান, এই রমেশ, তাড়াতাড়ি করো, তাড়াতাড়ি করো। ... শেষে মনে মনে মাইয়াটার কাছে মাফ চাইয়া লই। মা জননী গো, তুমি আমারে ক্ষমা দেও। তোমার বডি না কাটলে আমার চাকরি যাইবো গা। ...পরে কাজ শেষ হইলে বডিটারে আমি প্রনাম করছি। ওইটাই প্রথম, ওইটাই .‌শ্যাষ।...

ছয়। রমেশ ডোম এখন আর লাশ কাটেন না। তার সহযোগিরাই কাজ চালিয়ে নেন। তার ছেলেদের কাউকেই তিনি এ পেশায় আনেন নি। তাদের লেখাপড়া শেখাচ্ছেন, উজ্জল ভবিষ্যতের আশায়। 'ডোম' পরিচয় ঘোচাতে কয়েক বছর আগে ধর্ম বদল করে তিনি এখন মোহাম্মাদ সিকান্দার।

তথ্য-সাংবাদিকতায় জীবনের অনেকটা বাঁক পেরিয়ে এখনো হঠাৎ হঠাৎ তার কথা মনে পড়ে। ব্যস্ততার কারণে রমেশ ডোম, ওরফে মো. সিকান্দারের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত দেখা করা হয়ে ওঠে না। মনে পড়ে তার সেই কথা, আমারে ক্ষমা দেও গো মা জননী। তোমার বডি না কাটলে আমার চাকরি যাইবো গা!...

কসাইয়ের মতো নির্লিপ্ততায় যখন গণহত্যা বা পাহাড়ি-বাঙালি মারাত্নক সব সহিংসতার সংবাদ লেখা হয়, সংবাদে তুলে আনা হয় ধর্ষিতার আর্তনাদ, যখন তুমুল স্পিডে টাইপ করতে হয় ঘুর্ণিঝড়ে হতাহতদের তাজা খবর, অথবা সাধারণ কোনো মৃত্যূ সংবাদ -- তখন মাঝে মাঝে নিজেকেও কেনো যেনো রমেশ ডোম, ওরফে মো. সিকান্দার বলে ভ্রম হয়।...জানা আছে নির্ঘাত, এই সব বিবিধ টাটকা খবরের ময়না তদন্ত না করলে রমেশ ওরফে সিকান্দারের মতো এই অধমেরও 'চাকরি যাইবো গা!'...
---
ছবি: লাশকাটা ঘর, আন্তর্জাল। 

---

পুনর্লিখিত।

12345
Total votes: 74

মন্তব্য

দাদা, এক্কেরে অসাধারণ। শুরুটা হাসিতে আর শেষ কান্নাতে। চলতে থাকুক! 

বিপ্লব রহমান-র ছবি

গুরুচণ্ডা৯'র ফেসবুক গ্রুপের লিংকের সূত্র ধরে উন্মোচনে এসে মন্তব্য করায় অনেক ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা। চলুক।  

আমি স্তব্ধ, আমার মনে হয় সাংবাদিকতা আসলেই একটা এডভেঞ্চার।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

অ্যাডভেঞ্চারের অন্তর্নিহিত রক্তক্ষরণটুকু মারাত্নক। ধন্যবাদ পাভেল।  

আজাদ-র ছবি

ভয়ানক...

আমাদের ভালবাসাই উন্মোচনের প্রাণ ...

বিপ্লব রহমান-র ছবি

এ ক ম ত। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। 

জাহিদ হাসান-র ছবি

কসাইয়ের মতো নির্লিপ্ততায় যখন গণহত্যা বা পাহাড়ি-বাঙালি মারাত্নক সব সহিংসতার সংবাদ লেখা হয়, সংবাদে তুলে আনা হয় ধর্ষিতার আর্তনাদ, যখন তুমুল স্পিডে টাইপ করতে হয় ঘুর্ণিঝড়ে হতাহতদের তাজা খবর, অথবা সাধারণ কোনো মৃত্যূ সংবাদ -- তখন মাঝে মাঝে নিজেকেও কেনো যেনো রমেশ ডোম, ওরফে মো. সিকান্দার বলে ভ্রম হয়।...জানা আছে নির্ঘাত, এই সব বিবিধ টাটকা খবরের ময়না তদন্ত না করলে রমেশ ওরফে সিকান্দারের মতো এই অধমেরও 'চাকরি যাইবো গা!'.

 

..................................................

মাঝে মাঝে পিপাসা বোধ হচ্ছে
গন্তব্যহীন পথ, তপ্ত রদ্দুর
নগ্ন পায়ে হাটছি আমি

বিপ্লব রহমান-র ছবি

Bro for the first time read your touching writting. always try 2 read your reporting but this one really touched me so much. thank your for share the real story

বিপ্লব রহমান-র ছবি

সো মেনি থ্যাঙ্কস আপু। কিপিটাপ!  

বছরে তখন এক বার কি দুইবার বড় খালার বাসায় বেড়াইতে ঢাকার আজিমপুর আসতে হইত। তখন টু=থ্রিতে পড়ি। খলিলুল্লাহর ভয়ে খালা, খালালো বোনরা কোয়ার্টারের মাঠে খেলতে যাইতে দিতে চাইতো না। কিন্তু মামুন ভাইর লগে ঠিকই যাইতাম। তখন ছিল পাশা আইসক্রিমের কাল।

আর লেখা পইড়া কী কমু? বোবা হইয়া গেলাম।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

এই তো আরেকটা লেখার আভাষ পাচ্ছি। ওই লেখাটিও পড়তে চাই। লিখবেন প্লিজ। অনেক ধন্যবাদ।  

এমন সব লেখাই পারে একজন লেখককে অমরত্ব এনে দিতে। একেবারে কলিজা ধরে টান দিলেন গো দাদা...

বিপ্লব রহমান-র ছবি

বেশ।

দুইটা তুল্য হয় নাই, আরেকটু কায়দাবাজীর জন্য মনটা হু হু করসিল।

চলুক।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

এ ক ম ত। কায়দাবাজী ধর্তে পার্লাম কৈ?

অনেক ধইন্যা।  

 গা শির শির করছে দাদা। ভয়ানক সুন্দর হয়েছে।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

valo laglo pore... sei sathe apner moner khoter khojo paoa gelo... kintu amer ekta jiggasa ase- apner naxalite babar boita abaro mudroner kotha bolesilen sei bdnews-e colig thakakalin. seter ki holo?

বিপ্লব রহমান-র ছবি

আপনার বিনীত পাঠ ও আগ্রহের জন্য অনেক ধন্যবাদ। 

হুমম...আজিজ মেহেরের স্মৃতিকথা, যা নকশাল বাড়ি আন্দোলনের ইতিহাসও বটে, পুনর্লিখনের আগ্রহ আছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কিন্তু গুঢ় বাস্তবতা এই যে, বইটি প্রকাশের জন্য যে দু-একজন প্রকাশকের সঙ্গে আলাপ করেছি, তারা কেউই এ বিষয়ে আগ্রহ দেখাননি! ভুল বিপ্লব নিয়ে এখন আর কে মাথা ঘামায় বলুন? 

ami ki ei bepare karo sathe kotha boler onumuti pete pari apner kas theke??

বিপ্লব রহমান-র ছবি

অবশ্যই। নির্মোহ বিচারে মনে হয়েছে, এইসব জীবন্ত ইতিহাস-ভাষ্য ইতিহাসের স্বার্থেই সংরক্ষণ করা উচিত।

আবারো আপনার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ।
 

মনির হোসাইন-র ছবি

ব্লগে এইরকম লেখা কালেভদ্রে আসে । আমি শুধু বলবো ... খুব , খুব , খুব-ই ভালো লেখা ।

বিপ্লব রহমান-র ছবি

 khuba bhaalo legechhe,, aaro likhuna.

বিপ্লব রহমান-র ছবি
যূথচারী-র ছবি

আহমেদ দিদারের ঘুমঘর টেলিফিল্মটি দেখে এলাম, এসে আপনার মর্গ নিয়ে লেখাটি পড়লাম। ওই সিনেমার ডোমটিও এক সুন্দরীর লাশ দেখে না কাটার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে অবশ্য সেজন্য তাকে পুলিশেও ধরে। সিনেমা তো সিনেমাই। কিন্তু আপনার কাহিনী তো জীবনের গল্প। আপনার লেখার মতোই মসৃণ এই লেখা। তবে আরো একটা লেখা চাই রমেশদের ধর্মান্তর নিয়ে। বাংলাদেশের দলিতদের নেতাও কিন্তু একাধিকবার ধর্মান্তরিত হয়েছেন মূলধারায় আসবার আকাঙ্খা থেকেই। যেমন এখন আদিবাসীদের একটি বিশাল অংশ ইসলাম, খ্রীস্টান ধর্মে যাচ্ছেন।


রানওয়ে জুড়ে পড়ে আছে শুধু, কেউ নেই শূন্যতা-
আকাশে তখন থমকে আছে মেঘ,
বেদনাবিধুর গীটারের অলসতা-
কিঞ্চিৎ সুখী পাখিদের সংবেদ!
বিপ্লব রহমান-র ছবি

 বিনীত পাঠ প্রতিক্রিয়া ভাল লাগল। চলুক। 

বিপ্লব রহমান-র ছবি

 পুনশ্চঃ সিনেমাটা দেখতে হবে! 

শশাঙ্ক বরণ রায়-র ছবি

ছুঁয়ে যায় হৃদয়ের রক্তক্ষরণ...

........................................................

আদিবাসী বাঙ্গালী যত প্রান্তজন
এসো মিলি, গড়ে তুলি সেতুবন্ধন

বিপ্লব রহমান-র ছবি
বিপ্লব রহমান-র ছবি
বিপ্লব রহমান-র ছবি

hehe.... ami kolibullha ...koliga khabo..

বিপ্লব রহমান-র ছবি

মন্তব্য