slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

ডি এন এ” কী? প্রথম পর্ব- গঠন

ডি এন এ” কী?

প্রথম পর্ব- গঠন

লেখক-আঃ হাকিম চাকলাদার

“স্মৃতি তুমি বেদনা…

ফ্রি ফ্লোটিং প্ল্যানেট

জানো তো, এই মাত্র পৃথিবীতে খবর এসেছে
না, আমার মৃত্যু না; একটি একাকী তারার...

সূর্যকে ভালোবেসেই কাছাকাছি থাকে গ্রহ
খুব একটা দূরে যায় না, যেতে পারে না, অমঙ্গল হয় তাতে, আর ছিটকে পরে আঁধারে। তোমার চারিপাশে আমার ঘুরপাক এই একই নমুনা, আমি আঁধারে হারাতে চাই না।

জেনে থাকবে হয়তো, মহাকাশ যাত্রী দ্বয়
একদা মহাকাশে ভ্রমণ কালে
একটি একাকী তারার খবর নিয়ে আসে
দল ছেড়ে অনেক দূরে, কোন কেন্দ্রে আসক্তি না রেখে, কারো অক্ষ না মারিয়ে
একাকী একটি তারা মহাকাশে, নীরবে দাড়িয়ে...

কবি দিলওয়ার: মৃত্যুর মিছিলে তুমি জীবনের দৃপ্ত তরবারি

গণ মানুষের কবি দিলওয়ার। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধানতম কবি। বাঙ্গালির হাজার বছরের সংগ্রাম-ঐতিহ্যের ধ্রুপদি শব্দমালায় শানিয়েছেন স্পর্ধিত কবিতার শরির। আজ তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
অভিমান আর ক্ষোভ নিয়ে নিজ থেকেই কেন্দ্রচ্যুত হয়েছিলেন তিনি। হয়েছিলেন তার পূর্ব পুরুষের প্রান্তিক সিলেটে স্থায়ী; এখানে বসেই বাংলা কবিতায় নিজের সুমহান উচ্চতা তোলে ধরেছেন। কখনো বারুদে ঠাসা, কখনো পলল ভূমির কোমল মৃত্তিকার মমতায় বেড়ে ওঠেছে তার কবিতার শরির।

নিমন্ত্রণ

উত্তেজনায়, চরম উত্তেজনায়
এক দৈরে পাহাড়ে উঠে যাই, এক নিশ্বাসে সমুদ্র পারি দেই
পান করি সুধা, সুধা চিরন্তন
তোমাকেই চাই, হে ক্রীতদাসী; রানী কোথাও নাই।

উত্তেজনা প্রশমিত হয়, নিজস্ব পদ্ধতিতে,
কখনোই পারবো না তোমাকে নিয়ে
পাহাড়ে দৈরে উঠতে, আর সমুদ্র বহু দূর।
স্রোতের টানে আমি তোমাকে ছেড়ে দেব, দিতে হবে।

তাৎক্ষনিক ভর করে, সকল ক্লান্তি
মনন এবং শরীরে।
আমি হেরে যাই, প্রশমনের পর
আমি হেরে যাই তোমার কাছে।
আমি হেরে যাই পৃথিবীতে।

নরকে অনন্ত ঋতুঃ নারীর কোনো দেশ নাই?

 উৎসর্গ
হ্যাপি আপু, প্রিয়

জাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকগ্রুপগুলোর প্রতি খোলাচিঠি

শুভেচ্ছা জানবেন। আপনারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। উপযুক্ত ফলাফল না পাওয়ায় এখনও পরীক্ষা দেওয়া থেকে পিছুপা হননি। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করলে শরীরের ওপর অক্লান্ত ক্লেশ সহ্য করতে হয়। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে আপনারা অনন্তকাল এই ক্লেশ সহ্য করতে বদ্ধ পরিকর। আপনাদের আন্দোলন উদাহরণ হয়ে থাকবে।

আপনাদের কথা সবাই বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কার্যকলাপের কথা লোকের মুখে মুখে শোভা পাবে এটা তো এককালে স্বপ্ন ছিল। এতদিন পর, ছাত্র জীবন শেষ করে এসে তার সন্ধান পেলাম। ধন্যবাদ আপনাদের। বিশ্বাস করেন, ছাত্র জীবনে কেউই কেন যেন আপনাদের কথা এত এত জিজ্ঞেস করেনি!

রেইনকোট

আজ ঘর থেকে বাহির হব না
বৃষ্টি দেখবো; ব্যালকনিতে বসে, খানিক দাড়িয়ে।
বৃষ্টি দেখবো; ঈশ্বরের চোখে
উচ্চতায় বৃষ্টির রূপ বদলে যায়।

সুন্দরবন ‘জনতার অপপ্রচার’ বনাম ‘রাষ্ট্রের প্রচার’

দুনিয়ার বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবন বরাবরের মতো আবারো দেশকে উত্তাল করে দিয়েছে। ২০০৭ সালে নিজের জীবন দিয়ে ঘূর্ণিঝড় সিডর থেকে দেশকে বাঁচিয়ে, ২০১০ সনে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনের তালিকায় জায়গা নিয়ে দেশকে উত্তাল করেছিল বীর সুন্দরবন। সুন্দরবনের পূর্ব বনবিভাগের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার মাত্র চার কি.মি.

জাতীয় কমিটির 'সুন্দরবন ঘোষণা'

গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকা প্রেসক্লাব থেকে রওনা হয়ে সাভার, রানা প্লাজা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মানিকগঞ্জ, গোয়ালন্দ, মাগুরা, ঝিনাইদহ, কালিগঞ্জ, যশোর, নওয়াপাড়া, ফুলতলা, দৌলতপুর, খুলনা, বাগেরহাট, গৌরম্ভা বাজার, চুলকাঠি হয়ে পাঁচ দিনে চারশত কিলোমিটার অতিক্রম করে আমরা আজ ২৮ সেপ্টেম্বর বিকালে বৃহত্তর সুন্দরবনের দিগরাজে উপস্থিত হয়েছি। সুন্দরবন রক্ষাসহ সাত দফা আদায়ের এই লংমার্চের প্রস্তুতিকালে এবং লংমার্চের সময়কালে বহু লক্ষ মানুষ আমাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। লংমার্চে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের সকল শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্বকারী মানুষ। বহুসংখ্যক সংগঠনের মধ্যে লংমার্চে অংশ নিয়েছে বামপন্থী প্রগ

সুন্দরবন বনাম ‘সরকারি প্রেসনোট’

একক আয়তনে দুনিয়ার সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবনের উপর মৃত্যুদন্ড জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি (এনটিপিসি) যৌথভাবে সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের নলিয়ান থেকে ১৪ কি.মি. উত্তর-পূর্বে ‘খুলনা ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের’ কাজ শুরু করেছে। ২০ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশ-ভারত উক্ত প্রকল্পের চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পটি ইতোমধ্যেই বাহেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার সাপমারী-কাটাখালী মৌজার ১,৮৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করেছে, যার ভেতর কৃষি জমির পরিমাণ ১,৭৪৫ একর। ইউনেস্কো ঘোষিত ৫২২তম বিশ্বঐতিহ্য সুন্দরবনের জন্য এ প্রকল্প মৃত্যুদন্ডের সামিল। সুন্দরবনকে বাঁচাতে তাই দেশব্যাপি জোরালো প্রতিবাদ ওঠেছে।

একটা নির্দয় রাত ও গরুর গুস্ত

একটা নির্দয় রাতের কাছে

গরুর গুস্ত দ্বারা ভাত পানের ইচ্ছার কথা জানাতেই

সে আমারে কয়েক টুকরা ভেরার গুস্ত ধরাইয়া দ্বারা বলল,

নে খা..এইটা একটা পবিত্র হরিঙ্গের গুস্ত

আমি আমতা আমতা করিয়া কহিলাম, কিন্তু আ আআমিতো দেকিতেছি ইহা ভেরার গুস্ত

নির্দয় রাত বলিল..বান্দির বাচ্চা তরে যে গুস্ত দিছি তাই তো বেশি

যুদি গু দিতাম কী করতি?

ঈর্ষা

তোমার কার্লি চুল; ভেনাসের জন্ম মনে করিয়ে দেয়
তোমার জোড়া ভ্রু; মথায় আসে ফ্রিদা কাহালো
তোমার স্থিরতা; বুদ্ধের নমুনা
তোমার না বলায়; প্রকৃত ভালোবাসা

তোমার সব কিছুতে আমার ঈর্ষা
আমি চিৎকার করে তোমায় আলোড়িত করতে চাই
তুমি মুখে নিবর।

লংমার্চ ও পপারীয় উন্নয়ন বেলুনের বিজ্ঞাপণ

 ১

বাঘ চিরকাল ই ক্ষুধার্ত,
যেমন হরিণ শুধুই নির্বল,
আর উদ্যমহীন বানরের দল।

আকাশে তখন পূর্ণসূর্য
পশুরে জোয়ারে-
বাগদার পোনা ভাসে
তবুও, ধনাত্মক বেলুনের লেজ ধরে
ভূত হয়ে গেলো উড়ে
একটা মেছো বাঘ।

রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প কার স্বার্থে?

২০১১ সালে সুনামির আঘাতে জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া এবং এর তেজষ্ক্রিয়তা থেকে সৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয়ের ফলে এ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানির মতো উন্নত দেশগুলো এখন চিন্তা করছে কীভাবে পারমাণবিক বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনা যায়। বর্তমানে বিশ্বের অনেকগুলো উন্নত পুঁজিবাদী রাষ্ট্রই এই বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। এসব দেশে শিল্পায়ন, দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান এসব কিছুই উচ্চ পর্যায়ের হওয়ায় তাদের মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণও অত্যন্ত বেশি। সেই দেশগুলো এখন বিকল্প পন্থার ব্যবস্থা গ্রহণ সহ বহু অর্থব্যয়ে স্থাপিত তাদের পরমাণু

খাদ্যে ভেজাল যতক্ষন না বন্ধ হবে, আমি বলেই যাব!

অনেকে বলেন বা ভাবেন আমি কেন সরকারের সমালোচনা করি! আমি কেন সরকারের বিপক্ষে কথা লিখি!

কিন্তু গভীর ভাবে ভেবে দেখুন সরকারের সমালোচনা না করে আমাদের উপায় কি? ধরা যাক একটা পরিবারের কথা। পরিবারের প্রধান যদি ভাল না হন তবে সেই পরিবারটা কি ভাল চলে। পরিবারের প্রধানের বিবেক, বিবেচনা, বিচারিক ক্ষমতাই সেই পরিবার ভাল থাকার প্রধান উৎস। পরিবারের প্রধান যে সিদ্বান্ত নেবেন, সেটাতেই পরিবার চলবে এবং পরিবারের ভাল মন্দ সেটার উপরেই নির্ধারিত হবে।

সিলেটে সিপিবি-বাসদের জনসভায় ছাত্রলীগের হামলা

১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যকেন্দ্রের সামনে ভিয়েতনাম যুদ্ধবিরোধী মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে ছাত্র ইউনিয়নের দুইজন কর্মী নিহত হন। এর প্রতিবাদে এবং প্রচণ্ড ক্ষোভে ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক, ডাকসুর তৎকালীন ভিপি পল্টন ময়দানে প্রকাশ্য জনসভায় শেখ মুজিবকে দেয়া ডাকসুর আজীবন সম্মানসূচক সদস্যপদের কাগজটি ছিঁড়ে ফ্যালেন এবং ঘোষণা করেন শেখ মুজিবকে এখন থেকে আর 'বঙ্গবন্ধু' হিসেবে সম্বোধন করা হবে না। প্রাক্তন সম্পাদক মহোদয় সেই সভায় আরো অনেক বিপ্লবী কথাবার্তা বলেছিলেন। এর ফলস্বরূপ সারা দেশব্যাপী সিপিবি-ন্যাপ (মোজাফফর)-এর ওপর নেমে আসে সরকারি গুণ্ডাবাহিনীর আক্রমণ। বিশ্বস্ত সঙ্গ

ব্যক্তিক নয়, নৈর্ব্যক্তিক

শাহবাগে পরিমাণগত পরিবর্তন ঘটেছে (শেষ)

শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন নিয়ে একটা লেখা শুর’ করেছিলাম। কয়েকটি পর্বে লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘ বিরতিতে এবার লেখাটির ইতি টানছি। আমি দ্বান্দ্বিকতার সূত্র ব্যবহার করে আগের লেখাগুলোতে বলেছিলাম শাহবাগে পরিমাণগত পরিবর্তন ঘটেছে। গুনগত পরিবর্তনের আশাবাদি ছিলাম। অনেক ক্ষেত্রে আন্দোলনটি নিয়ে ভাবাবেগের বশবর্তি হয়ে অতি আশাও পোষণ করেছি । আগের লেখাগুলোর সারমর্ম ছিল, এই আন্দোলেনে অসম্প্রদায়িক ও বর্জুয়া গণতান্ত্রিক শক্তির উন্বেষ ঘটতে পারে। দ্বিতীয় এখান থেকে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধি ছোট হলেও রাজনৈতিক কর্মকান্ডের বিস্তার হতে পারে। তৃতীয়ত তর’ণদের মধ্যে নতুন ধরনের সম্পর্ক বা বন্ধুত্ব সৃষ্টি হতে পার

Pages