slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

জিএম খাবার নিয়ে ব্রিটিশ সরকারি বুজরুকি

 কথা হচ্ছে, অন্তর্জালে ঘুরতে ঘুরতে একটা মজার জিনিস পেলাম। ব্রিটেনের বাজারে সরাসরি মানুষের জন্য জিএম খাবার ঢুকতে পারেনা। গোখাদ্য ও পোল্ট্রি ফিড হিসেবে জিএম সয়া ঢুকতে পারে, সেগুলো পশু-পাখিকে খাইয়ে তারপর প্রক্রিয়াজাত খাবারে রূপান্তর করে মানুষের খাওয়ানোর জন্য বাজারে ছাড়া হয়। কয়দিন আগে ব্রিটিশরা এরকম খাবারের প্যাকেটে যে ঠিকমতন জিএম খাবার চিহ্নিতকরণ লেবেল দিয়ে দেয়া হয় কি তা জানার জন্য সরকারের এজেন্সি (ফুড স্টান্ডার্ড এজেন্সি) কর্তৃক একটা গবেষণা করা হলে যে ফল পাওয়া যায় তা হলোঃ অধিকাংশ ক্রেতার কোন আইডিয়াই নাই যে ব্রিটিশ গোমাংস, ডিম, দুধ, ইত্যাদি সুপারমার্কেটে বিক্রি করা হয় সেগুলো

I HATE POLITICS

আমরা বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজে হলের সিট পাওয়ার জন্য বড় ভাইদের পেছনে ঘুরি, শোডাউন দেই, বেশি নম্বর পাওয়ার জন্য শিক্ষকের সঙ্গে তেলবাজি করি আর ফেসবুকে লিখি -- I HATE POLITICS! চাকুরির প্রমোশন পাওয়ার জন্য-অন্যের প্রমোশনটা ঠেকানোর জন্য বসের সঙ্গে চাটুকারি করি, কর্মকর্তা ইউনিয়নের ভোট কারবারি করি আর ফেসবুকে লিখি -- I HATE POLITICS!

রানা প্লাজা-তাজরীন-স্পেকটার্মে নামে-বেনামে-এনামে মরে যাওয়া মানুষগুলোর জন্য শোকে কাতর হই। রানাকে বকি। মালিক পক্ষকে গালি দেই। কিন্তু ফেসবুকে লিখি -- I HATE POLITICS!

দিঘির নাম, রামসাগর !

ঈশ্বরের সাথে একধরনের অভিমানের সম্পর্কে জড়িয়ে যায় হারু। ঈশ্বরকে হুদাই দোষ দিতে থাকে কিম্বা আসলে হুদাই না; যে কারণে দোষ দিতে থাকে সেই কারণটাই হয়তো পরবর্তীতে হুদা মনে হইতে থাকে; এমন সময় কোন এক রাতে অথবা দিনে এমনকি সন্ধ্যায়, ঈশ্বরের দেখা মেলে!

বিশ্বজিৎ

হেই খলিফা!
পৈতা সিলাও
শূন্য পিঠে
রক্ত ঝোলাও

হায় খলিফা!

চলছিল যা
ডুববে কি তাও?
ঘোর কলি কেন
জানতে কি চাও?
অন্ন পাবে
জাতটা বাঁচাও।

গ্রন্থ পর্যালোচনাঃ “মেঘ ভাঙ্গা রোদ্দুর”


গ্রন্থ পর্যালোচনাঃ “মেঘ ভাঙ্গা রোদ্দুর”
–মহিবুর রহিম

মহাপ্রস্থানে মহানায়ক!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছিলেন--

আমি ক্রিকেট খেলাটা সম্বন্ধে জানি না। তারপরও আমি শচীনের খেলা দেখার জন্য ক্রিকেট খেলা দেখি। এর কারণ এই না যে, আমি তাঁর খেলার ভক্ত। কারণ এই যে, আমি আসলে জানতে চাই তিনি যখন ব্যাটিং করেন তখন আমার দেশের উৎপাদন কেন ৫% কমে যায়!

অস্ট্রেলিয়ান গ্রেট ম্যাথু হেইডেন বলেছিলেন--

আমি ঈশ্বরকে দেখেছি। তিনি ভারতের হয়ে ৪ নম্বরে ব্যাট করেন।

‘প্রত্যয়ী যাত্রা’ ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা

-মুহাম্মদ শামসুল হক শামস্
কবি, গীতিকার ও প্রকৌশলী

দৃশ্য

একটি ছোট্ট পুকুর কয়েকটি দুরন্ত কিশোরের উপভোগের অভিজ্ঞতা লাভের পর গভীর আনন্দ বা বিষণ্ণতায় জলের নিশ্চিন্ত আশ্রয়ে থাকা কাদামাটি ও পচনশীল জৈবরা ধীরে ধীরে তলামুখি যাত্রা শুরু করে। অতিলৌকিক মোহনীয়তায় শাহবাগ-মোড়ের গোলাপগুলো পণ্য থেকে অনুভূতিতে রূপান্তরিত হতে থাকে। পেশাদার অভিনেতা হঠাত খেই হারিয়ে দৃশ্যের বাইরে চলে আসেন; কী যেনো একটা ছায়ার মতো সন্তপর্ণে উঁকি দিয়ে দেখে। ছ'তলার রেলিংবেষ্টিত ছাদ থেকে এক সপ্তদশী পাশের দালানের এক প্রকোষ্ঠে সঙ্গমরত একজোড়া অলৌকিক দেহ দেখে বুকের ভিতর এক অচেনা ও অতিচেনা স্রোতের অস্তিত্ব টের পেতে থাকে। একটি বিষণ্ণ ছেলে পিচঢালা পথে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি করতে থাকে...

কোনদিন, হয়তো।

কোনদিন হয়তো ফিরবো না বাড়িতে,
সোডিয়াম ল্যাম্পের আলোয় পুড়ে যাবো।
ঝাকে ঝাকে উড়ে আসা শ্যামাপোকাদের ফাঁড়িতে,
হয়তো সেদিন হতবাক হয়ে চেয়ে রবো।

কোনদিন, হয়তো কোনদিন আলোর মশালে
জ্বলে-পুড়ে যাবো পিপড়েদের মত।
নতুবা মেঘেদের ছায়ার মিছিলে,
হয়তো ভিজে যাবো কাকেদের মত। 

রাষ্ট্র-কাঁপানো খেরুর খোঁজে

হিটলারের উত্থান প্রয়োজনীয়- পতন অবশ্যাম্ভাবি

হিটলারের উত্থান কোন দৈব কিংবা অশরীরি ঘটনা নয়। তার উত্থান না হলে তার স্থলে অন্য কোন নেতার উত্থান ঘটতো। মোদ্দা কথা তার মতন নেতার উত্থান  প্রয়োজন ছিলো। এরকম অনেক সময় চলে আসে যখন এরকম নেতার আবির্ভাব প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এর কারন হলো, প্রথমত উগ্র জাতীয়তাবাদের উগ্রদিক সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করার জন্য এবং দ্বীতিয়ত এর থেকে শিক্ষা নেয়ার জন্য।

গুঁড়া হলুদ বিতর্ক : আমরা কী করবো?

১৯৯৫ এর পর আবারো মার্কিন মুলুকে হলুদ নিয়ে বিতর্ক ওঠেছে। ১৯৯৫ সনে ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপি মেডিকেল সেন্টার ক্ষত নিরাময়ে হলুদের কার্যকারিতাকে পেটেন্ট করে। এ পেটেন্ট স্বত্ত্ব মার্কিন মুলুকের উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানকে একতরফাভাবে হলুদ বিক্রি ও পরিবেশনার বৈধতা দেয়। হলুদের এ মার্কিন পেটেন্ট নিয়ে তুমুল বিতর্ক ওঠে। ভারতের ‘কাউন্সিল অব সাইন্টিফিক এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল রিসার্চ’ হলুদ পেটেন্টের বিরুদ্ধে বেদগ্রন্থের মত নানান প্রাচীন নথি ও দলিল নিয়ে আইনি লড়াই শুরু করে। ১৯৯৭ সনে হলুদের উপর এ পেটেন্টটি বাতিল হয়। প্রমাণিত হয় হলুদের জন্মস্থান আমাদের এ বিস্তৃত অঞ্চল। দীর্ঘ ১৮ বছর পর খোদ মার্কিন মুলুকই আটকে দিয়েছে

বিএনপির কর্মসূচি এবং জনগণের লাভ-ক্ষতির হিসাব

গত ২৫ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে ১৮ দলের সমাবেশে প্রধান বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, "যে গর্ত খুঁড়ছেন, তাতে পড়বেন আপনি। আমরা জনগণকে সিঁড়ি করে পেরিয়ে যাবো।" [সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, ২৬/১০/২০১৩]

ব্যাখ্যার অতীত

 সেইবার কোরবানির ছুটিতে রাঙ্গামাটি গিয়েছিলাম সবাই মিলে । দাদা রাঙ্গামাটি শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে একটা বাড়ি করেছে । পাড়ার নাম বিলেইছড়ি পাড়া । ছোটভাইয়ের পরিবার, দাদার পরিবার ও আমার পরিবার মিলে যাওয়া হলও । যে ঘটনার কথা বলতে বসেছি সেটা ঘটেছিল দ্বিতীয় দিন । সেইদিন সারাদিন আমরা হাজা ছড়া ছিলাম । ফিরতে প্রায় সন্ধ্যে । রাতে এক জনের বাসায় নিমন্ত্রণ । সবাই মিলে ঠিক হলও বোটে করে যাওয়া হবে । সবাই রেডি হইয়ে বোটে উঠা হোল । আকাশে আধখানা চাঁদ আলো দিচ্ছিল । মাঝে মাঝে সেই চাঁদ মেঘের আড়ালে হারিয়ে রাত কে বিষণ্ণ করে তুলছিল । যথারীতি দেড় ঘন্টা ধরে যাত্রা করে পৌঁছে গেলাম সেই বাসায় । খাওয়া দাওয়া সেরে ফিরতে ফ

একটি অনির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের খসড়া চিত্রনাট্যঃ

দেহ
মেহেদী হাসান

গল্প সংক্ষেপঃ
উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারের সুন্দরী একটি মেয়ে। মেয়েটি শহরের নামকরা একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা-পড়া করে। ছোটবেলা থেকেই মেয়েটি সৃজনশীল, স্বাধীনচেতা এবং জেদী প্রকৃতির। তার কাজে-কর্মে, চিন্তা-ভাবনায়, চলা-ফেরায় কোন ধরনের বাঁধা-প্রতিবন্ধকতা সে মানতে চায়না। উন্মুক্ত বাতাসের মত বিশাল আকাশে সে উড়ে বেড়াতে ভালোবাসে।

বেলুয়া খাসিপুঞ্জি আক্রান্ত কেন?

যখন কোনো খাসিপুঞ্জি উচ্ছেদ কি জবরদখল হয়, তখন অনেকেই লেখে ‘আশ্চর্যজনক বা দু:খজনক’। চলতি লেখাটিতে এরকম প্রত্যয়গুলো ব্যবহৃত হচ্ছে না। মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেটে দিনের পর দিন খাসিপুঞ্জি উচ্ছেদ আর জবরদখল হয়েই চলছে। যখন কোনো ঘটনা প্রশ্নহীন বা প্রশ্নাতীত ভাবে চলমান হয়ে যায় তখন একে ‘স্বাভাবিক বা বৈধ’ বলা হয়। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের খাসি পুঞ্জি গুলির ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। বৃহত্তর বাঙালি পরিসরে ‘খাসিয়া’ হিসেবে পরিচিত খাসি জনগণ টিলাঅরণ্যে নিজেদের বসতিকে ‘পুঞ্জি’ বলে থাকেন। বহিরাগত বাঙালি, বনবিভাগ, চাবাগান কর্তৃপক্ষ দিনের পর দিনে এসব খাসিপুঞ্জি অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ ও দখল করে চলেছে। খাসিপুঞ্জি জবরদখল ও উচ্ছে

তাইন্দং মাটিরাঙ্গা, সাবা এবং কিছু অনূভুতি:

 ঘটনাটা ঘটেছিল ৩রা আগষ্ট ২০১৩ তে । প্রথম জেনেছিলাম ফেসবুকের মাধ্যমে । কি ঘটেছিল?

"জামাত মুক্ত গ্রাম" –

 

 

 

 

"জামাত মুক্ত গ্রাম" –

অমর একুশে বইমেলার কাব্যগ্রন্থ “তবুও বৃষ্টি আসুক”


পর্যালোচনায়- ডঃ আশরাফ সিদ্দিকী
সাবেক মহাপরিচালক,
বাংলা একাডেমী।

‘তবুও বৃষ্টি আসুক’ কবি শফিকুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে আগামী প্রকাশনী। তার কবিতা আমি ইতিপূর্বে পড়েছি । ভাষা বর্ণনা প্রাঞ্জল এবং তীব্র নির্বাচনী। “তবুও বৃষ্টি আসুক” গ্রন্থে মোট ৪১ টি কবিতা রচিত হয়েছে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত এ গ্রন্থ পাঠ করে পূর্বেই বলেছি, মন অনাবিল তৃপ্তিতে ভরে যায়।

Pages