slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

মেহেদী হাসান-এর ব্লগ

শপিং মল

এক
নতুন গড়ে উঠা বিশালাকার এক শপিং মল; গ্রাউন্ড ফ্লোরে বেশ কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ডের কাপড়ের দোকান- এগুলোকে অবশ্য দোকান বললে যেন ঠিক ম্যাচ করে না; আউটলেট বা শপ বললেই বোধ করি, ব্লাউজের সাথে কপালে পরা একই রঙের টিপের মত মিল হয়।

নাম

 নতুন ভাড়া-বাসায় উঠেছি একমাসও পুরা হয়নি। সেদিন বিকেল বেলায় রিক্সা করে বাসার গেটের কাছে পৌঁছানো মাত্রই দেখতে পেলাম রাস্তার অপর দিক থেকে আরেকটা রিক্সা কড়া ব্রেক কষে গেটের সম্মুখভাগে এসে দাঁড়াল। রিক্সায় বসা অবস্থা থেকেই একজন মধ্যবয়স্ক লোক হেঁকে উঠল, “এই হিমেল এদিকে আয় তো।” নতুন নিয়োগ পাওয়া ষোল-সতের বছরের দারোয়ান ছেলেটি প্রায় দৌড়ে এসে মুহুর্তের মধ্যেই লোকটির বসে থাকা রিক্সার সামনে এসে হাজির। ছেলেটির পুরো মুখমন্ডল জুড়ে সেঁটে আছে বাতাসে দুলতে থাকা রাশি রাশি কচি ধান গাছের মত একটা অগোছালো গ্রাম্য ছাপ। জামরুল ফলের মত বালকটির স্বচ্ছ চোখ দুটির দিকে গাঢ় দৃষ্টি হেন

পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও আমি নিজে পুরুষতন্ত্রের শিকার!

উপরের শিরোনাম দেখে অনেকেই হয়ত চমকে উঠবেন- কিভাবে, কিভাবে এটা সম্ভব!
বলছি, একে একে গুটিকতক-

ব্যার্থ অভ্যুত্থান বিষয়ে হুগো শ্যাভেজ

সাক্ষাৎকারটি গ্রহন করেছেন মার্টা হার্নেস্কার

মার্টা হার্নেস্কারঃ আজ যেখানে বসে এই সাক্ষাৎকারটি নিচ্ছি ঠিক এই জায়গায়টিতেই আপনি ১১এপ্রিলের অভ্যুথান চলাকালীন সময়ে আটক ছিলেন, ঐ কঠিন সময়ের সবচেয়ে তিক্ততাময় স্মৃতিগুলোর কথা বলবেন কি?

একটি অনির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের খসড়া চিত্রনাট্যঃ

দেহ
মেহেদী হাসান

গল্প সংক্ষেপঃ
উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারের সুন্দরী একটি মেয়ে। মেয়েটি শহরের নামকরা একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা-পড়া করে। ছোটবেলা থেকেই মেয়েটি সৃজনশীল, স্বাধীনচেতা এবং জেদী প্রকৃতির। তার কাজে-কর্মে, চিন্তা-ভাবনায়, চলা-ফেরায় কোন ধরনের বাঁধা-প্রতিবন্ধকতা সে মানতে চায়না। উন্মুক্ত বাতাসের মত বিশাল আকাশে সে উড়ে বেড়াতে ভালোবাসে।

একজন বিদ্রোহী মিতার আত্মহননঃ দায়ী কে?

নারীর উপর পুরুষের অত্যাচার-নির্যাতন, নির্বিচার শোষণ চালানো, নারী-পুরুষের মধ্যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যকে টিকিয়ে রাখা এবং নারীকে যৌনদাসী হিসেবে তার পাশে বেঁধে রাখার জন্য পুরুষতন্ত্রের একটি মোক্ষম অস্ত্র হচ্ছে একবিবাহ প্রথা। এটা নর-নারীর মাঝে এমন একটি সামাজিক চুক্তি যেখানে নারীকে আদেশ দেওয়া হয় পতিব্রতা(এখানে পতি শব্দটি অশ্লীল অর্থে ব্যাবহৃত) হতে, পুরুষের সকল কর্মকান্ডকে মুখ বুঝে মেনে নিতে এবং পুরুষটিকে দান করা হয় নারীর শরীরটিকে যখন-তখন যথেচ্ছ ভোগের স্বাধীনতা, নারীর মনের উপর একচ্ছত্র আধিপত্য, শারিরীক-মানসিক নির্যাতন চালানোর সর্বোপরি ক্ষমতা এবং পাশা-পাশি অন্যান্য নারী-শরীর অবাধ সম্ভোগের অধি

জরায়ুর অন্ধকার

আমি তোমার প্রতি বোধ করছি একমুঠো তীব্র আবেদন
তোমার নিকষ ঠোটের স্বচ্ছ মুগ্ধতায় নয়-
তোমার অভ্যন্তর বিকাশমানতার-
তোমার প্রসব বেদনার, তোমার সৃষ্টি যন্ত্রণার।

সারা বিশ্বে সেরা দশে বাংলাদেশের স্পাইরাল গ্যালাক্সী

অর্থনৈতিক দিক থেকে আউটসোর্সিং বাংলাদেশে একটি বিশাল সম্ভাবনার নাম। আমাদের দেশের বর্তমান প্রজন্মের আইটিতে প্রশিক্ষিত তরুণেরা এই ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই বেশ সাফল্য অর্জন করেছে। এতে করে নিজেরা যেমন অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হয়েছে তেমনিভাবে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে করে তুলছে সমৃদ্ধ। বর্তমান বিশ্বে অনেকগুলো আউটসোর্সিং মার্কেট প্লেস ওয়েবসাইট আছে যেগুলোর মাধ্যমের আবেদন করে, বিশেষভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট, কানাডা ও ইউরোপের নানা দেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের আউটসোর্সিং এর কাজ পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়, জনপ্রিয় এবং অনেক ধরনের কাজের সমাহার হচ্ছে ফ্রীল্যান্সার ডট কম নামক ওয়েবসাইটটি।

স্যালুট শহীদ রুমী স্কোয়াড

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বর কেন্দ্রিক পুরো বাংলাদেশ জুড়ে গণজাগরণের হাওয়া বইতে শুরু করে। অনেক বেশী লোকের সমাবেশ হওয়ার কারনে এবং এটা যেহেতু একটা বড় ধরনের গনজাগরন সুতরাং তার দরকার পড়েনি হিংসাত্বক হওয়ার। অহিংস পদ্ধতিতেই এই আন্দোলন চলে আসছে অনেক দিন ধরে।

জোয়ান আস্কারের নারীবাদী ঐতিহাসিক-বস্তুবাদী শ্রেণীতত্ত্ব

মূলঃ জন বেল্লামী ফস্টার
ভাষান্তরঃ মেহেদী হাসান

হানস ফাল্লাদার কথা সাহিত্যে ফ্যাসিবাদ বিরোধীতা

মূলঃ জোনাহ রাস্কিন
ভাষান্তরঃ মেহেদী হাসান

চেতনাই আন্দোলনকে নেতৃত্ব দিচ্ছে

প্রজন্ম চত্বরে গড়ে উঠা আন্দোলনের নেতা চেতনা, কর্মী প্রত্যক্ষ আন্দোলনকারী, সমর্থক জনগন এবং আন্দোলন বিষয়ে যেকোন ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতা জনগনের ক্রমবিবর্তিত চেতনার। এই আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে টানা দিন-রাত ২৪ ঘন্টা চলছে। দীর্ঘদিন টানা এই আন্দোলন চলার পরও জনগনের কোন ধরনের শারীরিক অবসাদ বা মানসিক ক্লান্তির লক্ষণ দেখা যাচ্ছেনা কারন এই আন্দোলন বাংলার গন মানুষের ৪২ বছরের ক্ষোভের ফসল এবং জনগনের চেতনা এখানে সদাজাগ্রত, চেতনার মান দিন দিন উন্নতও হচ্ছে। প্রজন্ম চত্বরে গড়ে উঠা আন্দোলন যে টানা ২৪ ঘন্টা ধরে দিন-রাত চলবে এমন সিদ্ধান্ত কেউ দেয় নি- জনগনের ক্রমবিবর্তিত চেতনা নিজে থেকেই এই সিদ্ধান্ত বেছে নিয়েছে। আন্দোলনের প্রথম দিকে রাত্রে কয়েকজন বলার চেষ্টা করেছিল-আপনারা এখন চলে যান কাল সকাল থেকে আবার আন্দোলন শুরু হবে।

ধর্মকে রাজনীতি থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেলার এখনই শ্রেষ্ঠ সময়ঃ

কোন দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠি যদি হাতে ভয়ানক কোন মানবধ্বংশী অস্ত্র নিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা ও আরো বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম করতে করতে এগিয়ে আসতে শুরু করে তাহলে নিশ্চিতভাবেই আমাদের প্রথম কাজটি হবে- ঐ দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠীকে পাকড়াও করে তার হাতের ভয়ানক অস্ত্রটি কেড়ে নিয়ে পরবর্তীতে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো-এবং বিচারের মাধ্যমে তার কৃত অপরাধের জন্য উপযুক্ত শাস্তির ব্যাবস্থা করা। ঐ দুর্বৃত্ত লোক বা গোষ্ঠিটির হাত থেকে মানবধ্বংশী অস্ত্রটি কেড়ে না নিয়ে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো খুব বেশী সুবিধাজনক বলে মনে হয় না। কারন যখন তার বিচারকার্য শুরু হবে এবং বিচারের রায়ে তার উপযুক্ত শাস্তির ব্যাবস্থা করার চেষ্টা করা হবে তখন সে প্রাণপণে নিজেকে বাঁচাতে ঐ ভয়ানক অস্ত্রটির ব্যাবহার শুরু করবে- এটা তার জন্য খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয়। সাধারণ অবস্থাতেই সে যখন তার হাতের অস্ত্রটিকে যত্রতত্র ব্যাবহার করে নানা ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়ে তোলে সে ক্ষেত্রে তার উপর যখন আক্রমণ আসবে সে তখন অস্ত্র হাতে বসে থাকবে- এটা কোন সুস্থ চিন্তার বিষয় হতে পারেনা।

Pages