slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

মাহফুজ জুয়েল-এর ব্লগ

সুন্দর মনের মানুষ মাত্রই সুন্দরবনের পক্ষে

সুন্দরী মানে রূপবতী মেয়ে; এক সময় এরকমই বুঝতাম। পরে জানলাম, আমাদের ‘সুন্দরী’দের ছাড়াও সুন্দরীর অস্তিত্ব¡ আছে! সেই সুন্দরী সুন্দরবনের একটি বৃক্ষ। আর ওই ‘সুন্দরী’ থেকেই সুন্দরবন-এর নামকরণ। যদিও সাধারণ ধারণায় মনে হয়, বনটি সুন্দর বা এর সৌন্দর্যের কারণেই এর নাম ‘সুন্দরবন’। অবশ্য সুন্দরবন দেখলে বা এর নানামুখি বিশালতা-গুরুত্ব-মাহাত্ম্য জানলে এই সাধারণ ধারণাকে অস্বীকার করা যায় না। বরং যথার্থ যথোপযুক্ত মনে হয়।

যদি

                                    
 
যদি তুমি দুঃসহ দুঃসময়ে সব অপবাদ সহজে সয়ে
মাথা ঠাণ্ডা রেখে শান্ত থাকতে পারো
যদি তুমি সবার সব সন্দেহ অবিশ্বাস উড়িয়ে দিয়ে
নিজেকেই নিঃসন্দেহে বিশ্বাস করো
 
যদি তুমি অপেক্ষা করতে পারো এবং অপেক্ষায় ক্লান্ত না হও
কিংবা আকণ্ঠ মিথ্যায় ডুবে থেকেও মিথ্যা থেকে দূরে রও
কিংবা ঘৃণিত হয়েও যদি কিছুতেই ঘৃণার পথে না যাও

ভাই রিস্ক আছে!

বুড়ো রোহিঙ্গা ও এক বড়ো বোকা লোক!

এক সকালে হু হু করে কেঁদে ফেললো এক বড়ো বোকা লোক।
আর কিছু না, টেলিভিশনে দেখেছিলো এক বুড়ো রোহিঙ্গার মুখ;

উস্কোখুস্কো চুল আর দাড়ি; বলছিলো বুড়ো: পুড়ে গেছে ঘর-বাড়ি—
সব সবাই! বেঁচে আছে একা, এবং বাঁচার আশায় পরদেশে পাড়ি;

এসে দেখে এখানেও আগুন দ্বিগুণ, এখানেও রক্ত, হুমকি-ধমকি-খুন;
কারা যেনো হেসে হেসে সীমান্তে বসে মানুষের কাটা ঘায়ে ছিটায় নুন।

বলছিলো বুড়ো। চলছিলো খবর টেলিভিশনে। কাঁদছিলো এক বোকা লোক;
মানুষের কাছে মানুষ যদি আশ্রয় না পায়, এই পৃথিবী আজই ধ্বংস হোক!

নববর্ষ, ভুভুজেলা ও হযরত জন লেনন!

গতকাইল নতুন বাঙালির নতুন নববর্ষ উদযাপন দেখিলাম! দেখিয়া-শুনিয়া ক্ষেপিয়া যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় আমার ছিলো না।

উৎসব-কাঙাল বাঙাল-বাঙালির কাঙালপনা দেখিয়া কে যেনো আমার কানের চারপাশে হাহাকার করতেছিলো : আহারে বাঙালি! আহারে নববর্ষ! আহারে ভুভুজেলা! একদম খাসা মাইনষের হাতে খাসা জিনিস পড়ছে! বাজাও বাঙালি, বাজাও। বাজাইয়া ফাডাঈয়ালাও (ফাটিয়ে ফেলো)।

ভুভুজেলার জ্বালায় কান ঝালাপালা; সর্বাঙ্গে জ্বালাপোড়া। মনের মধ্যে দেখি দাউ দাউ আগুন! আমি আমাকে চমকে দিয়ে বলি : অ্যাই! কী অইছে তোর? বোকা! এমন করিস ক্যান? হাসফাঁস করনের কী আছে? আইজ তো বাংলা নতুন বছর আইছে! আনন্দের দিন। খুশির দিন। বড় পবিত্র দিন।

যা না বললেই নয়...

গুন্টার গ্রাস তো গুন্টার গ্রাসের মতো, আমি-আমরাও আমাদের মতো নীরব থাকি। মনের পিঠ দেয়ালে ঠেকলে মাঝে মাঝে সরব হওয়ার চেষ্টা করি। চিৎকার করি। প্রলাপ বকি। যা বৈশ্বিক নয়, নিতান্তই দৈশিক। কিন্তু এবার ইচ্ছে হলো গুন্টার গ্রাসের সঙ্গে গলা মেলাতে...

ইচ্ছের পেছনে অনেক কিচ্ছে আছে। অনলাইনে নিউজ আকারে প্রথম যখন পড়ছিলাম, তখনই ইচ্ছে হলো খুঁজে দেখি না! সবজান্তা গুগল মহেশ্বর তো আছেনই!

নেলসন ম্যান্ডেলা হাসপাতালে...

দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা (৯৩) পেটের অসুখজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ভূমিকার ভূমিকা অথবা নিজের ঢোল নিজে পিটাই...

দর্শক, আপনারা যারা আমার গ্যালারির লোক, তারা তো সবই জানেন! জানেন যে, এবারের বইমেলায় আমার একটি বই-সন্তান জন্ম লাভ করেছে। আপনাদের মতোই আমার কাছের দর্শকেরা তার নাম রেখেছে : দর্শক, খেলা চলছে...

গত ১০ ফেব্রুয়ারি বইটির মোড়ক উন্মোচন হয়েছে। উন্মোচন করেছেন অদিতি ফাল্গুনী। এ সময় আমার দুইপাশে আরো অনেকে ছিলেন, ফলে সবার নাম লিখতে বা বলতে পারছি না, তাছাড়া আমার মনে হচ্ছে তারাই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ এবং বাংলা শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির ভবিষ্যতের কর্ণধার...তাই জেনে-শুনে ঝুঁকি নিলাম না! কার না কার নাম বাদ পড়ে যায় কে জানে!

দর্শক, খেলা চলছে...

(গুরুত্বহীন দর্শকের গুরুত্বপূর্ণ খেলা)
...খেলা চলছে...
খেলছে দুটি দল...মাঠ একটি...
আর একটাই বল...

হোজ্জার লজ্জা, আমার হাই হ্যালো!

আমার মনের মন ভালো নেই। আচ্ছামতো ধমক দিয়েছি। বিষয় কিছুই না, উন্মোচনের পাসওয়ার্ড। খালদুন, শশাদা, বাঘমামা...ওরা জানে কতবার নতুন পাসওয়ার্ড করতে হয়েছে!  আর পাসওয়ার্ড হারানো তো নিজের ঘরের চাবি হারানো!

এমনিতেই আমি নাসিরুদ্দীন হোজ্জার লজ্জার মতো উন্মোচনকারীদের প্রতি মনে মনে লজ্জায় লজ্জায় থাকি...আমাদের কথা ছিল সময়ের মুখোশ খুলে দেখার....অথচ আমি নিজেই এখন সময়-এর মুখোশ হয়ে বসে থাকি! বকরির মতো চাকরি করি! বৃত্তবন্দি প্লাস্টিক জীবন। আমি কিছুই নই, ঘড়ির কাঁটাই সব। পৃথিবী সূর্যকে, আর আমি ঘড়ির কাঁটাকে কেন্দ্র করে ঘুরছি। যার যার কক্ষপথে, যার যার লক্ষ্যমতে। আসি আর যাই।

মীরকাদিমের কুমারী গাভী

একটি খসড়া গল্প
 

লিখতে ইচ্ছে করে...

যেদিকেই তাকাও সেদিকেই যদি চোখ আহত হয় তুমি তবে কোথায় তাকাবে? 

যেখানেই যাও সেখানেই যদি কান ঝালাপালা হয় তুমি তবে কোথায় পালাবে?

লিখতে ইচ্ছে করে...কিন্তু লিখতে ইচ্ছে করে না!

যেদিকেই তাকাও সেদিকেই যদি চোখ আহত হয় তুমি তবে কোথায় তাকাবে? 

যেখানেই যাও সেখানেই যদি কান ঝালাপালা হয় তুমি তবে কোথায় পালাবে?

ধাঁধা মনে হচ্ছে? মোটেও তা নয়, মোটামুটি এই তো সময়ের নীল ছায়াছবি

সেন্সরবোর্ডে কে? পাল্টাবে এইসব শব্দ-দৃশ্য? তুমি তো স্রেফ ছাপোষা কবি!

কবিতা নয়; কিন্তু কবিতা

ওরা জনগণের শক্তিকে ভয় পাচ্ছে, তাই ধরপাকড়, হামলা-মামলা

আধাজ্বর নিয়ে সকাল থেকে আমিও পল্টনে ছিলাম আজকের আধাবেলা হরতালে। চারদিকে যুদ্ধ যুদ্ধ সাজ আর হাসিনার পেটোয়া পুলিশ-র‌্যাব বাহিনির অকথ্য অপতৎপরতার মধ্যে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার আধাজ্বর পুরা হলো। ওই অবস্থাতেই ছবি তুললাম একের পর এক। হরতাল যখন শেষ হলো দেখলাম পুরো দেশের যন্ত্রণা আমার মাথায় চলে এসেছে। চোখে ঝাপসা দেখছি, কিন্তু এই ঝাপসা চোখেও দেখছি আশার আলো। মানুষ জেগেছে। দেশপ্রেমিক জেগেছে। জাতির বিবেক জেগে উঠছে। জেগে উঠছে সময়ের সাহসী সন্তানেরা!

Pages