slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

বিশ্বজিৎ-এর ব্লগ

এ কেমন তাবিজ ব্যাথাও কমে না বিষও নামে না

কবি হেলাল হাফিজ। প্রতিদিন প্রেসক্লাব কেন্টিনের একটি কোনায় বসে দুপুরের ভাত খান। আজ তিনি অন্য একটি টেবিলে বসে ভাত খাচ্ছিলেন। পাশের চেয়ারটায় বসে ভাতের অর্ডার দিলাম। ইচ্ছা খেতে খেতে কবির সঙ্গে যদি কিছু কথা হয়। বললাম আমি নেত্রকোনার। আমার দিকে মুখ তুলে বললেন, কোথায়্। বললাম মোহনগঞ্জ। মুহুর্তেই অন্তরঙ্গ হয়ে গেলেন। বললেন আমার মেসো ময়েজউদ্দিন সাহেব এক সময় মোহনগঞ্জ পাইলট স্কুলে টিচার ছিলেন। বললাম, তিনি আমার শিক্ষক িছলেন। হেলাল হাফিজ বললেন, আমার বাবাও দত্ত হাইস্কুলের শিক্ষক ছিলেন। একবার পাইলট স্কুলের সঙ্গে দত্ত হাইস্কুলের ফুটবল নিয়ে মারামারি হলো। বাবা এই ঘটনার তদন্ত করতে মোহনগঞ্জ গিয়েছিলেন। আমিও বাব

জিয়া ১৫ আগস্ট ষড়যন্ত্রে জড়িত তা অনুমান নির্ভর জিয়ার নির্দেশ না মেনে এরশাদ ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন(5)

 ১৫ আগষ্টের ঘটনাবলির পেছনে জিয়াউর রহমানের ষড়যন্ত্র আছে। এমন একটা অভিযোগ শোনা যায়। এটি কতটা অনুমান নির্ভর এবং কতটা যৌক্তিক এ নিয়ে গবেষণা বা অনুসন্ধান হয়নি। বিএনপি সময় অসময় বইয়ে লেখক মহিউদ্দিন আহমেদ বইয়ে উল্লেখ করেছেন, শেখ মুজিব নিহত না হলে জিয়ার উত্থান হতে পারতো না। কিন্তু এটাও ঠিক স্বাভাবিক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে সফিউল্লা নন জিয়াই হতেন সেনাবাহিনীর প্রধান।

খন্দকার মোশতাককে রাষ্ট্রপতি ঘোষণার অনুষ্ঠানে সামরিক লোকদের মধ্যে বেসামরিক ছিলেন, তাহের উদ্দিন ঠাকুর, হাসানুল হক ইনু ও আনোয়ার হোসেন(4)

শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টায় মেজর রশিদ খন্দকার মোশতাক আহমদের বাসায় হাজির হন। তাকে ঢাকা বেতারকেন্দ্র নিয়ে আসা হয় এবং রাষ্ট্রপতি হিসাবে ঘোষণা দেওয়া হয়। ডালিম ১০ টায় তিন বাহিনীর প্রধানকে বেতার কেন্দ্র নিয়ে আসেন। তাদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান জিয়াউর রহমান ও সিজিএস খালেদ মোশারফ ছিলেন। সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল সফিউল্লা, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকার এবং নৌবাহিনীর প্রধান কমোডোর এমএইচ খানের নতুন রাষ্ট্রপতির প্রতি আনুগত্য জানিয়ে বিবৃতি রেকর্ড করা হয়। বিডিআরের প্রধান মেজর জেনারেল খলিলুর রহমান ও পুলিশের মহাপরিদর্শক নুরুল ইসলামকেও একি উদ্দেশে ডেকে আনা হয়। বিএনপির স

একসুরে প্রচার হয়েছিল শেখ মুজিব ভারতের দালাল-3

মুজিব বিরোধী ডান ও বাম বিশেষ করে চীনপন্থি দলগুলো একসুরে প্রচার করেছিল যে শেখ মুজিব ভারতের দালাল। সেনা কর্মকর্তারা বিশেষ করে লে: কর্ণেল জিয়া উদ্দিন এবং লে: কর্ণেল আবু তাহের এ বিষয়ে প্রচুর ইন্ধন জুগিয়েছিলেন। বিএনপি সময় অসময় বইয়ে লেখক মহিউদ্দিন আহমদ এবিষয়টি উল্লেখ করেছেন। তার মতে সামরিক বাহিনীর অনেক সদস্যদের মনে ধারণা হয়েছিল ভারতের তবেদারি করার জন্য সমরিকবাহিনীকে ইচ্ছা করে দূর্বল করে রাখা হয়েছে। ১৯৭৪ সালে শেখ মুজিব সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাসকে বলেছিলেন, তিনি একটা শক্তিশালি সেনাবাহিনী তৈরী করার বিরুদ্ধে। শেখ মুজিবের ভাষ্য ছিল, আমরা পাকিস্তান সেনাবহিনীর মতো একটা দানব সৃষ্টি করতে চাইনা। আসলে

বঙ্গবন্ধুর লাশ ৩২ ঘন্টা ৩২ নম্বরে পড়ে ছিল মোশতাকই প্রথম মর্যাদার সঙ্গে লাশ দাফনের নির্দেশ দেন(২)

শেখ মুজিবের মৃতদেহ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ৩২ ঘন্টা পড়ে ছিল। জবীত শেখ মুজিব যাদের একদিন বীর উত্তম বা বীর বিক্রম খেতাব দিয়ে ছিলেন, সেসব মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা ঢাকা বেতার কেন্দ্রে এবং বঙ্গ ভবনে আসর গুলজার করেছিলেন। একমাত্র ব্যাতিক্রম ছিলেন কর্ণেল জামিল। তিনি কর্তব্যের তাড়নায় ৩২ নম্বরের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন। কিন্তু পথেই তাকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়। বিএনপির সময় অসময় বইয়ে লেখক মহিউদ্দিন আহমেদ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরের ৩২ ঘন্টা এভাবে বর্ণনা করেন।

শেখ মুজিবের বিকল্প হতে জিয়াকে রশিদের অনুরোধ। জিয়ার নির্দেশ রশিদকে আরকোন সাক্ষাৎনয়

ফারুক ও রশিদ এমন একজনকে খুঁজছিলেন, যিনি শেখ মুজিবের বিকল্প হতে পারেন। তাঁদের প্রথম পছন্দ সেনাবাহিনীর উপপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। তিনি পকিস্তানি মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে ফারুক ও রশিদের প্রশিক্ষক ছিলেন। সেনাবাহিনীতেও ছিলেন বেশ জনপ্রিয়। তাদের মনে হলো দেশের দু:সময়ে জিয়ারমতো একজন নেতার দরকার। জিয়ার সঙ্গে রশিদের যোগাযোগ হলো।

ইসলামের নামে হামলা, কমছে গণমানুষের ক্ষমতা, বাড়ছে রাষ্ট্রের আধিপত্য

প্যারিস থেকে ঢাকা। একটার পর একটা জঙ্গি হামলা হচ্ছে। দায় নিচ্ছে ইসলামী পরিচয়ের কয়েকটি সংগঠন। কোথাও আইসিস। কোথাও তালেবান বা কোথাও জামাতুল মুজাহিদ। কিন্তু ঘটনা একটাই সাধারণ মানুষদের হত্যা। বোমা মেরে হত্যা। আÍঘাতি হয়ে হত্যা। জিম্মি করে হত্যা। বা গোপনে টার্গেট করে হত্যা। যাদের হত্যা করা হচ্ছে তারা রাষ্ট্রের ক্ষমতার সঙ্গে কেউ জরিত নন। তাদের সাংগঠনিক ক্ষমতাও নেই। তারা কোথাও হোটেলে গান বাজনা করছিলেন। কোথাও নিজের মতামত লিখছিলেন। কোথাও স্কুলে লেখাপড়ায় ব্যাস্ত ছিলেন। কোথাও বা প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেন। তাদের মৃত্যুকে জিহাদ নামে উল্লেখ করেছে হত্যাকারীরা। তারা ইসলামী রাষ্ট্র নামের একটি রাষ্ট্র বানিয়েছেন। এই

চাপাতির ভয়ে ভীত লুম্পেন বুদ্ধিজীবীরা

আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। বুদ্ধিজীবী, লেখক টেলিভিশনের উপস্থাপকও আতঙ্কিত। বিদেশি পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। আর্তি, জঙ্গিরা মেরে ফেলবে। ঘর হতে বের হতে ভয় পাই। অফিসে যেতে ভয় পাই। ড্রাইভারকে ভয় পাই। প্রাণ উষ্ঠাগত। আমাদের নিরাপত্তা দিন। বাসার সামনে। চলার পথে পুলিশ দিন। তারপরে পুলিশকেও মেরে ফেলেছে জঙ্গিরা। এটি অবশ্য টার্গেট করে হত্যা না। হত্যাকারী অন্য কাউকে হত্যা করতে যাচ্ছিল। পথে পুলিশ বাঁধা হয়ে দাড়ালে তাকেই হত্যা করা হয়েছে। টার্গেট হত্যাও কিছু হয়েছে। পিছন থেকে লুকিয়ে কুপিয়ে কিছু সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকান্ডকে বলা হচ্ছে ইসলাম রক্ষার হত্যা কান্ড। অন্ত্যত যারা হত্যার দায় স্বীক

ইনভিজিবল একটি গোষ্ঠিকে আজ ভিজিবল দেখলাম

একটি অদৃশ্য তারুণ্যকে আজ ঢাকার রাস্তায় দৃশ্যমান দেখলাম।এরাহলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। এরা ভ্যাট দেবনা বলে শ্লোগান দিচ্ছিল। কিন্তু কেমন যেন খাপছাড়া। শ্লোগানগুলো জোরালো ছিলনা।  আন্দোলনের ভাষাও পাচ্ছিল না। কী শ্লোগান ওরা দেবে ভেবেও পাচ্ছিলনা। শ্লোগানে একজন লিড দেয় অন্যরা তার সুরে সুর মেলায়। কিন্তু দেখলাম একজন বললো অন্যরা চুপ। তখন এদের মধ্যে মুখ চাওয়া চাওয়ি। অবশেষে লিডের পরের অংশটুকু সবাই জানলেও শ্লোগান ছিল একবারেই মেরমেরে।

জনগন মানেই নিরপেক্ষ তাদের ধর্ম অবশ্যই ধর্মনিরপেক্ষ

রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এটি কিন্তু জনগণ আন্দোলন করে আনেনি। বরংচ জনগণের প্রত্যেকটি আন্দোলনে ধর্মনিরপেক্ষতার কথাই বলা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধই হউক আবার এরশাদ বিরোধি আন্দোলনই হউক। বাংলাদেশের জন আন্দোলনের একটি প্রধান দিক হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। কিন্তু শাসক শ্রেণীর মাথায় অন্য রকম চিন্তা থাকে। তারা জনগনকে বিভিন্নভাবে বোকা বানাতে চায়। ক্ষমতায় থাকতে বা ভোট নিতে ফন্দি ফিকির বের করে।

সুদের হার কমলেই বিনিয়োগ বাড়ে না

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছিলেন, সঞ্চয়পত্রে সুদ না কমানোর। তার যুক্তিছিল দেশের সকল মানুষকে নিয়েই আমদের ভাবতে হয়। সুদের হার কমালে নিু মধ্যবিত্ত, গরিব ও পেনশনারদের কষ্ট হয়। অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, এখন সুদ কমানোরও সময়৷সুদ কমালে বিনিয়োগ বাড়বে। মানুষের কর্মসংস্থান হবে। গরিব  ও নিুবিত্তদের সমস্যা হবে না। প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে। যার সুফল পাবে গরিব মানুষ।

বাংলাদেশের হিন্দুরা সকল সময়েই গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর কেন্টিনের পাশেই একটা সাইনবোর্ড। তাতে মুক্তিযোদ্ধের সময় নিহতদের একটি তালিকা। তালিকাটিতে দেখলাম যারা ২৫ মার্চ রাতে নিহত হয়েছেন তাদের  বেশির ভাগই হিন্দু ধর্মালম্বি। মনে প্রশ্ন জাগলো তাহলে পাকিস্তানিবাহিনী কী মুসলিমদের  ছেড়ে দিয়েছিল । আর  বেছেবেছে হিন্দুদের হত্যা করেছিল। প্রমান পেলাম বিভিন্ন বই পুস্তকে।( কোন কোন বই কাদের লিখা এসব বলে লেখাটি দীর্ঘ করতে চা্ইছি না)।   ষেখানে স্পষ্ট করে লিখা রয়েছে, পাকিস্তানি বাহিনী হিন্দু প্রধান গ্রাম। হিন্দুদের বাড়ি। আক্রমন করেছে সবচেয়ে বেশি। আর প্রতিবেশি মুসলিম সম্প্রদায়ের লোক এইসব লুটপাটে অংশ নিয়েছে। সুযোগমতো হ

রবীন্দ্রনাথ পরবর্তি বাংলা শব্দ শক্তি থাকলেও ভদ্রভাষার মর্যাদা পেলোনা চুদা ও অন্যান্য শব্দ(১)

 কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। কবিকে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু করবেন। অনেকেই লিখবেন। রবীন্দ্রনাথ আমার কাছে মনে হয়েছে আসলে বাংলা ভাষা। কারণ তিনিই বাংলাকে একটি ভাষা হিসাবে রূপ দিয়েছিলেন। তার  জন্ম দিনে এটা আমার একটা অনুভুতি। 

শাহবাগে পরিমাণগত পরিবর্তন ঘটেছে (শেষ)

শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন নিয়ে একটা লেখা শুর’ করেছিলাম। কয়েকটি পর্বে লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘ বিরতিতে এবার লেখাটির ইতি টানছি। আমি দ্বান্দ্বিকতার সূত্র ব্যবহার করে আগের লেখাগুলোতে বলেছিলাম শাহবাগে পরিমাণগত পরিবর্তন ঘটেছে। গুনগত পরিবর্তনের আশাবাদি ছিলাম। অনেক ক্ষেত্রে আন্দোলনটি নিয়ে ভাবাবেগের বশবর্তি হয়ে অতি আশাও পোষণ করেছি । আগের লেখাগুলোর সারমর্ম ছিল, এই আন্দোলেনে অসম্প্রদায়িক ও বর্জুয়া গণতান্ত্রিক শক্তির উন্বেষ ঘটতে পারে। দ্বিতীয় এখান থেকে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধি ছোট হলেও রাজনৈতিক কর্মকান্ডের বিস্তার হতে পারে। তৃতীয়ত তর’ণদের মধ্যে নতুন ধরনের সম্পর্ক বা বন্ধুত্ব সৃষ্টি হতে পার

হেফাজতের ষড়যন্ত্রে ব্যবহার হলো প্রান্তিক শিশুরা

একটি কাতর শিশুর মুখ। ভয়ার্ত তার দৃষ্টি। আশ্রয় নিয়েছে পিটুনি দেয়া পুলিশটির পিছনে।  নিজেকে বাঁচাতে  আকড়ে ধরেছে পুলিশটিকেই।  ফেসবুকে এমনি একটি ছবি ।মাদ্রাসায় পড়া প্রান্তিক এক শিশুর ছবি। যে রাজনীতি বোঝেনা। রাষ্ট্র তার কাছে দুর্ভোদ্য।  তার কাছে চরম সত্য কোরবানির চামড়া সংগ্রহ। কারো মৃত্যুহলে  চল্লিশার দিন পেটপুরে গরুর মাংস খাওয়া। জীবনে এই হয়ত তার প্রথম ঢাকায় আসা। কেন এসেছে তাও হয়তো জানে না। মাদ্রাসার হুজুর বলেছে যেতে হবে।  হুজুরের কথায় তাদের উঠাবাসা।এই প্রান্তিক শিশুদের জন্য রাষ্ট্র কান্না করে না। যারা রাষ্ট্র চালায় তারা এই শিশুদের করুনা করে। পরকালের লো

Pages