slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

You are here

শশাঙ্ক বরণ রায়-এর ব্লগ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ : আমাদের গ্লানি

নিজেদের ন্যায্য পাওনা জমিতে ঘর করে থাকার অপরাধে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। কয়েক শত ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। নির্যাতনে আহতদের হাসপাতালে হাতকড়া লাগিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। কয়েক হাজার নিঃস্ব মানুষকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, নারী শিশু বৃদ্ধসহ সবাই তারা না খেয়ে খোলা আকাশের নিচে দিনরাত পার করছেন। আর এসবই করেছে আমদের সরকার তার পুলিশ র‍্যাব আর দলীয় লোকদের দিয়ে।

ভয়ে ভয়ে আছি

মনে খুব ইচ্ছা, আরও ক’টা দিন বাঁচি
তাই ভয়ে ভয়ে আছি

বলেছেন দাদারা, জ্ঞানী এন্ড গাধারা
খেটে খাও, কথা কম, একা চল হরদম
পেয়ে গেছি বুদ্ধি, তাই মনে মনে নাচি
আমি ভয়ে ভয়ে আছি

তেলাপোকা খামচায়
লালচোখে আম চায়
খুব বেশি রাগ হলে চুপচাপ হাঁচি
এত ভয়ে ভয়ে আছি

লিখব না ফেসবুক
ডরে বুক ধুকপুক
ব্লগ তো চিনিই না, আমি আস্তিক, চাচি
দেখ, ভয়ে ভয়ে আছি

কোপালে চাপাতি-ছুড়ি
দিব লেপ-কাঁথা মুড়ি
বদল চাইলে খুব, চুল-দাড়ি চাঁছি
খুব ভয়ে ভয়ে আছি

সবুজ মুখের শিশুরা কখনও সচিবালয়ে যায় না

সবুজ মুখের শিশুরা কখনও সচিবালয়ে যায় না
শিশুদের ভেতরের সবুজতা মরে গেলে পরে তারা বড় হয়
আর শেষ সবুজের ছোঁয়াটুকু তারা সচিবালয়ে গিয়ে হারায়
সচিবালয়ে শুধু শাড়ি পরা, প্যান্ট পরা নানা দেহ ঘোরে
তাহাদের নাক আছে, চোখ আছে, মুখ আছে, বুক আছে
হৃদয়ে চঞ্চল ঘাসের সুবাতাস নেই

তাই সবুজ মুখের শিশুরা কখনও সচিবালয়ে যায় না

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন : নানা মাত্রা, নানা অভিঘাত ও কিছু প্রশ্ন

এবারের বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘটে যাওয়া নারীর ওপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা অনেককেই চমকে দিয়েছে, থমকে দিয়েছে। বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান নিয়ে আমাদের যে উচ্ছ্বাস-আনন্দ-অহংকার তাতে যেন এক পোচ কালি লেপে দিয়েছে এই জঘন্য ঘটনা। মানুষ হিসেবে এবং জাতি হিসেবে আমরা নিজেদের কাছেই ছোট হয়ে গেছি, অন্যের কাছে তো বটেই।

গাইবান্ধা : ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

একলা, ঝরে মরতেছিল, বক
প্রসঙ্গ নয় ফকিরের কেরামত
বকের তো নেই বাপ-মা অথবা বোন
তবে কেন ছবিতে শোকের টোন?

আর সব থাক, নাকফুলটা ভাবি
ওটাই ছিল মন ভোলানোর চাবি
মুখটা গেছে, আগুনজ্বলা বোম
‘নাকফুল’ দেখি ডিএমসি’র ডোম
ঘাম মুছে কয়। আহারে নাকফুল
বেঁচে আছ তবু এই আকালের দিনে
আমার পাগলী জান ছিল যে বউ
অন্ধবোমা রাস্তায় নিল চিনে

একলা গেলি, নাকফুলটা রেখে
তোর কয়লা গোর দেব না আমি
জমতে জমতে পাহাড় যদি হয়
ছুঁয়ে যাবে মেঘ, জানবে আগামী

মানুষ তো আর বক নয় স্মৃতিহীন
ধুয়ে যাবে সব সময়-বন্যায়
বকব্যাথীরা যত কায়দাই কর
দাগ থেকে যাবে পোড়া গাইবান্ধায়

আত্মকথা : ৩

অ.
যে পাতায় নাম লিখেছি শিশির ছুঁয়ে এক সকালে
সেই সবুজের খোঁজ জানো কেউ, অন্ধকারের মর্মমূলে?

আ.
জানতে চেয়েছি সন্ধ্যা-বকের কাছে
মৃত্যুর চেয়ে শান্তি কোথাও আছে?

ন্যায় বিচারের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে!

মরে বেঁচে গেলেন ইয়াসিন মিয়া। তিনি সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। আমাদের দেশে যেখানে প্রতি বছর কয়েক হাজার মানুষ সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারায়, সেখানে একজন ইয়াসিন মিয়ার মৃত্যু কোন গুরুত্বপূর্ণ খবর না। তারপরও বিষয়টা খবর হয়ে কিঞ্চিৎ মানবিক দায় তৈরি

বিবর্ণ ব্লগ

অনেক দিন লেখা হয় না। আমাদের ভালবাসার উন্মোচনের সেই প্রাণোচ্ছল দিন আর নেই। আমারও। এরমধ্যে ব্যক্তিগত জীবনে অনেক ঝড়ঝঞ্জা বয়ে গেছে। সম্পর্ক-বিশ্বাস নাড়া খেয়েছে। বয়ে গেছে সুবাতাসও। অভিঘাতগুলো সামলে চলার কোন বিকল্প নেই। তাই ফিরে আসা। বলা ভাল, ফেরার চেষ্টা।

স্বরচিত বিনয় মজুমদারের কবিতা : ৩

বসন্ত ফোটায় রঙ, তারুণ্য জাগে আগুনের চেতনায়
বিষয়টা প্রাকৃতিক নয়
তাই
কিছু শুয়োর শেষ পর্যন্ত শুয়োরই থেকে যায়
 

রাজাকারদের ক্ষমা নেই, ন্যূনতম মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে

রাজাকার-আলবদরদের বিচারের দ্বিতীয় রায় হয়েছে আজ। রাজাকার কসাই কাদের ওরফে কাদের মোল্লাকে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এর আগে আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের ফাঁসির রায় হয়েছে।

আত্মকথা : ৩

সকল পরাজয়কে পরাজিত করে

মানুষ পৌঁছে যাবে স্বর্ণোজ্জ্বল ভোরে

আত্মকথা : ২

দিগন্তের পথে ক্লান্তিহীন হেঁটে যদি প্রান্ত’র না মেলে দেখা

দূরের নীল আর অনাবিল নিয়ে কতকাল তবে পদ্য লেখা

নির্মাণ নেই, চিরকাল শুধু পথে পথে হায় কারুকলা শেখা!

ট্রিপস্ এবং বাংলাদেশের জনগণের স্বাস্থ্য

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে সাম্প্রতিক কালের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বেশ কিছু ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। স্বাস্থ্য-সূচকের কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি জাতীয় ও বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হচ্ছে। দেখা যায়, স্বাস্থ্য সচেতনতা, রোগ প্রতিরোধে টিকা গ্রহণ, সেবা গ্রহণ, মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, জন্মনিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। সরকারি সেবার পরিধি যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, পাশাপাশি বিস্তৃত হয়েছে বেসরকারি খাতের স্বাস্থ্যসেবা। ঔষধ শিল্পে বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য। তারপরও অবশ্য একথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই যে, বিগত কয়েক দশকের অগ্রগতি স

জামাত-শিবিরকে রুখতে হবে

হতাশ হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। বিরক্ত হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিলেও হয়ত দোষ দেয়া যাবে না। আর এই আধুনিক (নাকি উত্তর-আধুনিক) ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যের যুগে নিজস্ব পছন্দ থাকাটাও সঙ্গত। আমাদের ক্ষমতায় যাওয়া-আসা করা বা ক্ষমতার আসে পাশে ঘোরা-ফেরা করা রাজনীতি ব্যবসায়ীদের ওপর আস্থাহীনতার কারণে অনেক মানুষই রাজনীতির ব্যাপারে আগ্রহী হতে চান না। অনেকে আবার সাত-পাঁচে (যন্ত্রে) নেই, শুধু ষড়যন্ত্র দেখেন। আপনার-আমার যে কোন রাজনৈতিক ভূমিকা ওইসব রাজনীতি ব্যবসায়ীদের কারও না কারও স্বার্থে ব্যবহৃত হতে পারে। এসব বাস্তবতা বিবেচনা করেই বলছি, আমাকে-আপনাকে আজ  সোচ্চার হতে হবে। জামাত-শিবির রাজাকারদের রুখতে হবে।

আত্মকথা

স্বপ্নগুলো ভাঙ্গছে শুধু প্রত্যহ
মিথ্যে-ঘেরা, জপছি তবু – ‘সত্য হ’

সবুজ জীবন খর রৌদ্রে লীন
স্রোতের টানে এপিটাফ বওয়া দিন

Pages