slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন : নানা মাত্রা, নানা অভিঘাত ও কিছু প্রশ্ন

এবারের বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘটে যাওয়া নারীর ওপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা অনেককেই চমকে দিয়েছে, থমকে দিয়েছে। বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান নিয়ে আমাদের যে উচ্ছ্বাস-আনন্দ-অহংকার তাতে যেন এক পোচ কালি লেপে দিয়েছে এই জঘন্য ঘটনা। মানুষ হিসেবে এবং জাতি হিসেবে আমরা নিজেদের কাছেই ছোট হয়ে গেছি, অন্যের কাছে তো বটেই।

মর্ষকামী

তোমার যদি কহতব্য কিছু থাকে - 

বল না, করোটিতে ঝনঝনিয়ে

মগজেই মরে যাক।

 

দেয়ালেরও কান আছে -

শত্রুবৎ পৌঁছে দেবে

চাপাতির কানে।

 

মানুষ, মহাজাগতিক আলো ও একটি লতার বেয়ে চলা

প্রথমে বেরিয়ে এল একটি ভাতশালিক ধূসর ডানা। সবাই বলল, এটা একটা ভাতশালিকের বাসা। তারপর বেরিয়ে এল একটি ঝুঁটকুলি সিঁদুর লাল পাছা। সবাই বলল, শালিকটা ভুল করে ঢুকে পড়েছিল। ওটা আসলে একটা ঝুঁটকুলির বাসা। তারপর বেরিয়ে এল একটা চড়ুই। সবাই হোহো করে হেসে উঠল। ওটা আসলে কোন বাসা নয়, ওটা একটা সুরঙ্গ। ভেতরে অনেক কিছুই থাকতে পারে। তারপর বেরিয়ে এল একটা সাপ তার কালো মাথা। সবাই ভয়ে পালালো। তারপর অনেক অনেক দিন পর বেরিয়ে এল একটি কচি লতা। তার সবুজ কোমল পাতা। এটা কেউ দেখে নাই। আলোর পথে ধরে বেয়ে গেলো লতা, সব মানুষের মস্তক ভেদ করে বেয়ে গেলো। আলোই তার প্রাণ, আলোই তার শক্তি। এভাবে মানুষের অজা

সাধারন ডায়রি | ০৯ মার্চ২০১৫ | রাত: ১২ টা ২৭

সি এন জি করে বাসায় ফিরার সময় নভোথিয়েটারের পাশ দিয়ে ফাঁকা রাস্তা পাইয়া সি এন জি মামা দিল একটা টান! রাস্তা পুরা ফাকা আর রাত তখন ১১টা ১০। হটাত কোথা থেকে একটা গুলির শব্দ অনেক দূরে এবং সঙ্গে সঙ্গে আমার বুকে একটু ব্যথা অনুভব করলাম। বিদেশি মদের তেজ তখনো কমে নাই। মাথায় ঘুরতেছিল একটা প্রশ্ন; মানব জীবনের উদ্দেশ্য কি? মাঝে মাঝেই আজকাল বেশী বেশী ডারবি সিগারেট খাবার ফলে বুকে ব্যথাটা একটা নিয়মিত ব্যাধি হইয়া দাড়াইছে, আর সেই সাথে কালকে টাকা হাতে না আসলে বাড়ি ভাড়া কেমনে যোগাড় হবে সেইসব চিন্তা।

সভ্যতা বিনাশী রাজনীতির অধীন মুক্তচিন্তা-বিজ্ঞান ও ধর্ম

সম্ভবত আজকের দুনিয়ায় সাম্রাজ্যবাদ>কর্পোরেট>শাসকগোষ্ঠী>রাষ্ট্রের হাতে সবচাইতে বিধ্বংসী যে মারনাস্ত্রটি তার নাম 'ইসলাম'। আফ্রিকা থেকে এশিয়া, ইউরোপ থেকে আমেরিকা সর্বত্রই আজ এই মারনাস্ত্রের অবাধ ঝনঝনানী। ব্যতিক্রম শুধুমাত্র দক্ষিন আমেরিকার দেশগুলো যারা নিজেদের এই মারনাস্ত্রের সীমার বাইরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন এবং একটি উন্নত মানবিক সমাজ ও আঞ্চলিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লড়াই করছে। অবশিষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক ও ক্ষমতা দুনিয়া এই মারনাস্ত্রকে কেন্দ্র করে প্রায় সমান দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

আমি অভিজিৎ রায়ের লোক

২০০৬ সালের কথা। বাংলা ব্লগের আদিযুগে সামহোয়ার ইনব্লগ ডটনেট-এ লেখা মকশ করার চষ্টো। মৌলবাদের মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে প্রজন্ম ৭১ এর অবিরাম অনলাইন সংগ্রাম। যাত্রা শুরু সচলায়তন ডটকম, আমারব্লগ ডটকম-এর। সচলের বারান্দায় বিজ্ঞানের লেখা পড়তে গিয়ে অভিজিৎ-এর ধারালো লেখার মুখোমুখি। একদিন তিনিই ইনবক্স করেন, মান্যবর, 'কল্পনা চাকমা এখন কোথায়?' আর 'অপারেশন মোনায়েম খাঁ কিলিং' লেখাদুটি মুক্তমনা ডটকম-এর বাংলা সাইটে হুবহু প্রকাশ করতে চাই। আপনার আপত্তি নেই তো? ইত্যাদি।

যে কথা ইতিহাসে নেই ৫ম পর্ব

১০১. সংকীর্ণ চিন্তা-চেতনা ও কূপমণ্ডূকতায় আচ্ছন্ন কারোরই ভাষা ও সাহিত্যের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক হওয়া ঠিক নয়; এরা না হয় সাহিত্যের মূল চিন্তা-চেতনার সমঝদার না হয় মুক্তমনা, হয়ে উঠে অন্ধ বিশ্বাসী ও গোঁড়া!

১০২. কতটুকু জানো সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ নয় তবে যা জানো তার কতটুকু নিজের থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিসরে প্রয়োগ করেছো ও নানাক্ষেত্রে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে চেস্টা করেছো ও প্রায়োগিক কর্মে রূপান্তর করেছো সেটাই আসল কথা।

অভিজিৎ হত্যার রাজনীতি

অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ আজ প্রথম আলো পত্রিকায় একটি কলাম লিখেছেন। তিনি সাতটি পয়েন্টে দেখিয়েছেন যে, বিদ্যমান দ্বি-দলীয় রাজনৈতিক সংঘাতে কারা লাভবান হচ্ছেন? পয়েন্টগুলো হল- "১. সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার হলমার্ক দূর্ণীতি, ২. রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকার উপর ঋণ গ্রহিতা সর্বোচ্চ ধনীদের জন্য দেয়া সুবিধা, ৩. রামপাল বিদ্যূত কেন্দ্রে ভারতকে দেয়া সুবিধা, ৪. এইচএসবিসি ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচার, ৫. আবুধাবি ও সৌদি আরব থেকে প্রায় দ্বিগুন দামে জ্বালানী তেল ক্রয়, ৬. দেশের খনিজ সম্পদ মার্কিন স্বার্থগোষ্ঠীর হাতে তুলে দেয়া ও ৭.

বিদায় বন্ধু অভিজিৎ...

মানুষ হিসেবে অভিজিৎ রায়ের কোন তুলনা হয় না। সেই ব্লগ লেখার শুরুর দিনগুলো থেকেই তাঁর সাথে আন্তর্জালিক একটা যোগাযোগ ছিল। পরে ফেসবুক ইমেইল ইত্যাদির মাধ্যমে সেটা আরও জোরদার হয়। বছর দুয়েক আগে যখন আটলান্টা গেলাম তখন আমাদের দেখা হবার কথা ছিল। সময়াভাবে যা হয়ে ওঠেনি। ফেসবুক মেসেজগুলো এখনো চোখে ভাসে...

মৃগয়া যেমন-


মৃগয়া যেমন-
জ্বলছে খান্ডব, হরিণী-শুকর-শাখামৃগ-
ময়-তক্ষক- আরো যত দানো-নিষাদি।
তাবৎ শামসু বিদ্বতে করে গো এষণা
দ্বৈপায়নের ফাঁসি চাই; কিংবা পুড়ুক-
ডুবুক পদ্মায়-আগুনে-বন্দুকে।
চলছে চলুক।
 
আর কোন পথ্য নেই, বসন্ত-
বাতায়নে, হলকে হলকে,
মৃগয়া চলছে, মহাগণৌষধি,
রবি-বেস্পতি, চলুক নিধন।
দেশে আসিতেছে, চান্সে আমরাও
কবিতায় এনেছি- মহাভারত,
চলুক পেট্রল, চলুক ক্রসফায়ার।
 
ঘি খেয়ে কুকুরের হয়েছে বিকার

গাইবান্ধা : ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

একলা, ঝরে মরতেছিল, বক
প্রসঙ্গ নয় ফকিরের কেরামত
বকের তো নেই বাপ-মা অথবা বোন
তবে কেন ছবিতে শোকের টোন?

আর সব থাক, নাকফুলটা ভাবি
ওটাই ছিল মন ভোলানোর চাবি
মুখটা গেছে, আগুনজ্বলা বোম
‘নাকফুল’ দেখি ডিএমসি’র ডোম
ঘাম মুছে কয়। আহারে নাকফুল
বেঁচে আছ তবু এই আকালের দিনে
আমার পাগলী জান ছিল যে বউ
অন্ধবোমা রাস্তায় নিল চিনে

একলা গেলি, নাকফুলটা রেখে
তোর কয়লা গোর দেব না আমি
জমতে জমতে পাহাড় যদি হয়
ছুঁয়ে যাবে মেঘ, জানবে আগামী

মানুষ তো আর বক নয় স্মৃতিহীন
ধুয়ে যাবে সব সময়-বন্যায়
বকব্যাথীরা যত কায়দাই কর
দাগ থেকে যাবে পোড়া গাইবান্ধায়

"খৈ ভাজা"- কাজ না অকাজ?

“নেই কাজ তো খৈ ভাজ”! করার কিছু না থাকলে লোকজন এমনভাবে এই কথাটা বলে যে, শুনে মনে হয় খৈ ভাজাটা কোন কাজই না। অথচ খোঁজ নিয়ে দেখেন, ব্যাটা (কিনবা বেটি) হয়তো নিজে কোনদিন খৈ ভাজা তো দূরের কথা, খৈ কেমন করে ভাজতে হয় সেটাও জানে না।

বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও -- দেশপ্রেমের নামে একচোখা ভন্ডামি

বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও  নামে একটি সংগঠন আছে, যার সাথে প্রফেসর আনিসুজ্জামান, সুলতানা কামাল, অজয় রায়, এম এম আকাশ, কামাল লোহানী, গোলাম সারোয়ারের মত লোকেরা আছেন। যদিও তারা সাম্প্রদায়িকতা ও সহিংসতা বিরোধী সংগঠন বলে দাবী করে, কিন্তু তারা প্রতিবারই নিজেদের আওয়ামী একটি সংগঠন হিসেবেই যেন পরিচিত করিয়ে দেয় সবার কাছে। যার কারণে আইন-শৃঙ্গখলা বাহিনীর নাম দিয়ে যখন অনেক অনেক মানুষকে গুম বা খুন করা হয়, তখন এরা টু শব্দটিও করেনা, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও তারা সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর দাবি নিয়ে হাজির হয়েছে। এরা রাজনৈতিক সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলে, কিন্তু আওয়ামী সরকার যে গণতন্ত্রকে হত্যা

ফুলের নাম ডালিয়া !

 মিস ডালিয়া আমাদের পাড়ায় আসলে আমরা তার প্রেমে পরে যাই; আমরা যারা মিস ডালিয়ার কাছাকাছি থাকি কিংবা থাকার সুযোগ পাই তারা আবার মাঝে মাঝে আদর করে তাকে ফুল বলে ডাকি, কারণ ডালিয়া নামের সাথে সাথে ফুল শব্দটাও আমাদের মাথা হয়ে মুখে চলে আসে, আর এক বার দুইবার ফুল বলে ফেলার পর নিজেরাই আবিষ্কার করি, নামটা ভালোই হয়েছে; এইসকল রোমান্টিকতা আরেকটু যখন ঘনীভূত হতে থাকে তখন থেকেই আমরা আর ডালিয়াকে ডালিয়া ডাকি না, মিস ডালিয়া প্রথমে হয় ডালিয়া ফুল, আর কিছুদিন পর হয়ে যায় শুধু ফুল। ফলে আমরা যারা মিস ডালিয়ার কাছাকাছি থাকি কিংবা থাকার সুযোগ পাই তারা মিস ডালিয়াকে ফুল বলে ডাকতে থাকি, আমাদের কাছে মিস ডালিয়া এখন শুধু ফু

সাধারণ ডায়েরি | ২৪ডিসেম্বর২০১৪ | রাত: ১১ টা ১১

এই মাত্র একটা খুন করে আসলাম রাস্তায়, আমি সাধারণত মুরগির মাংস খাই না কারণ সেটা খাবার উপযুক্ত করার জন্য রক্ত ঝরাতে হয়; রক্ত আমার পছন্দ না। সকাল থেকেই অনেক ফুরফুরে মেজাজে আছি, জীবন সুন্দর এইটা প্রতিমুহূর্তে উপলব্ধি করছি, বান্ধবীর সাথে সিনেমা দেখে, সিনেমা হল থেকে হাত ধরে হেটে হেটে, হেলে দুলে গান ও গেয়েছি; সুন্দর আবহাওয়া, খুব একটা শীত না আবার মটর সাইকেল চালানোর সময় মুখে বাতাসের ঝাপটা যে অনুভূতি দিচ্ছিল তাতে প্রতি মুহূর্তে শিহরিত হয়ে ভেবেছি জীবন কত সুন্দর। অথচ এই মাত্র একটা খুন করলাম, আসলে খুন না, এক্সিডেন্ট।

ভয়

এই গ্রীষ্মের কোন এক সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আমরা কয়েক কলিগ মিলে ঘুরতে গিয়েছিলাম চিয়াংমাই এর উঁচু স্থান ডয় ইনহানন এ । বেশ কয়দিন ধরে আলাপ হচ্ছিল কফি ব্রেক এর সময় সামনের ছুটিতে কোথাও যাওয়া যায় কিনা । অবশেষে পি প্রস্তাব দিল ডয় ইনহানন এ যেতে । ওখানে কারেন দের একটা গ্রাম আছে আর প্রাকৃতিক দৃশ্যও অনেক সুন্দর। তাই ওখানে দুইরাত দুইদিন থাকার পরিকল্পনা করা হল। আমরা শুক্রবার সন্ধ্যে নাগাদ পৌঁছে গেলাম। কাছেই একটা ন্যাশনাল পার্ক আছে সেটিকে বাঁদিকে রেখে ডানদিকে গেলেই সেই গ্রাম । গ্রামের নাম নং লম । গ্রামের সবাই বেশীরভাগ কারেন আদিবাসী । আমরা পৌঁছার পর রাত মনে হচ্ছে অনেক গভীর হয়েছে অথচ মাত্র ৭টা । আমা

স্মৃতিকথা

 সেইবার মনে নেই কোন  সালে  স্কুলের এক অনুষ্ঠানে গান গাইব বলে ঠিক করেছিলাম নাম ও দিয়েছিলাম । নাম দেওয়ার পর থেকে বিপত্তি আমার ক্লাসের ছেলে বন্ধুদের সাথে সব সময় এমনিতে ঝগড়া তো ছিল। তারা কিভাবে যেন যেনে গেল আমরা গান গাইব । এরপর থেকে সকাল বিকাল আমাদের পিছু ওরা লেগে থাকতো । তারা আমাদের নাম দিয়েছিল বাংলার বিখ্যাত গায়িকা। আমরা যে গানটি গাইব বলে ঠিক করেছিলাম সেটা ছিল বাংলার মাটি বাংলার জল বাংলার বায়ু বাংলার ফল । দুই একবার অনুশীলন করা ও হল । কিন্তু ওই বাদররা সকাল বিকাল কানের কাছে ঐ গানটা কানের কাছে হেঁড়ে গলায় এত গাইছিল যে আমর

জনাব হাসান মাহমুদ সাহেব হাক্কানী মিশন কর্তিৃক আমন্ত্রিত

জনাব হাসান মাহমুদ সাহেব হাক্কানী মিশন কর্তিৃক আমন্ত্রিত।

 


কেন তিনি আমন্ত্রিত?
হাসান মাহমুদ সাহেব দীর্ঘদিন যাবৎ তার লিখনী, ভিডিও, বক্তব্য, সভা সমাবেশ এর মধ্য দিয়ে কোরান হাদিছের আলোকে ইছলামের শান্তি পূর্ণ দিকটা তুলে ধরে, ধর্মের নামে বর্বরিক আচরন দূর করার লক্ষে ও মুসলমানদেরকে বর্তমান যুগের সংগে খাপ খাইয়ে অন্যান্য জাতির সংগে হিংসাত্মক মনোভাব পরিহার করে, একটা পরশ্পরের সংগে শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্ব ভাব বজায় রেখে একত্রে বসবাসের ফর্মুলার উপর কাজ করে যাচ্ছেন।

Pages