slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

বাহা (ফুল) উৎসব, প্রকৃতি এবং জীবন যেখানে একই সুত্রে গাঁথা।

কথা বললেই গান, পা বাড়ালেই নাচ! আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবাই গাইতে জানে, নাচতে জানে।প্রকৃতির অন্তরঙ্গ সস্পর্কে জড়িত তাদের শিল্প ও সঙ্গিত জীবন। তারা নাচে সামাজিক উৎসবে, বিয়ের অনুষ্ঠানে, অতিথি বরণে, পূজা পার্বনে, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে। হাতে হাত ধরে, কোরাসে, কোমর দুলিয়ে তুমদা-তামাকের ছন্দে তারা জীবনের কথা বলে, প্রকৃতির কথা বলে।

সুন্দর মনের মানুষ মাত্রই সুন্দরবনের পক্ষে

সুন্দরী মানে রূপবতী মেয়ে; এক সময় এরকমই বুঝতাম। পরে জানলাম, আমাদের ‘সুন্দরী’দের ছাড়াও সুন্দরীর অস্তিত্ব¡ আছে! সেই সুন্দরী সুন্দরবনের একটি বৃক্ষ। আর ওই ‘সুন্দরী’ থেকেই সুন্দরবন-এর নামকরণ। যদিও সাধারণ ধারণায় মনে হয়, বনটি সুন্দর বা এর সৌন্দর্যের কারণেই এর নাম ‘সুন্দরবন’। অবশ্য সুন্দরবন দেখলে বা এর নানামুখি বিশালতা-গুরুত্ব-মাহাত্ম্য জানলে এই সাধারণ ধারণাকে অস্বীকার করা যায় না। বরং যথার্থ যথোপযুক্ত মনে হয়।

তৃতীয় দিন

গত রাতের মতই আজও ঘুম জেগে দেখি চারটা বাইশ বাজে। সিগারেটে আগুন ধরিয়ে মনে হলো, যাকে ছাড়া এটা সম্ভব ছিলো না, যে ম্যাচ কাঠিটা দিয়ে আগুন জ্বালালাম, সিগারেট ধরিয়ে সেই কাঠিটা কোথায় ছুড়ে ফেলে দিলাম অথচ এমনও সময় পার করেছি, ম্যাচ কাঠির অভাবে সিগারেট ধরাতে পারিনি সারারাত। সিগারেট ফুকতে ফুকতে উঠানে এসে দেখলাম আশে পাশের বাড়ি থেকে আর কোন আলো আসছে না তবে দূরে অনেক দূরে দু একটা বাতি জ্বলে উঠে আবার খানিক পর নিভে যাচ্ছে; এই সময় মনে হয় লোক জন পেশাব করতে জেগে উঠে !
 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ : আমাদের গ্লানি

নিজেদের ন্যায্য পাওনা জমিতে ঘর করে থাকার অপরাধে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছে। কয়েক শত ঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। নির্যাতনে আহতদের হাসপাতালে হাতকড়া লাগিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। কয়েক হাজার নিঃস্ব মানুষকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, নারী শিশু বৃদ্ধসহ সবাই তারা না খেয়ে খোলা আকাশের নিচে দিনরাত পার করছেন। আর এসবই করেছে আমদের সরকার তার পুলিশ র‍্যাব আর দলীয় লোকদের দিয়ে।

যদি

                                    
 
যদি তুমি দুঃসহ দুঃসময়ে সব অপবাদ সহজে সয়ে
মাথা ঠাণ্ডা রেখে শান্ত থাকতে পারো
যদি তুমি সবার সব সন্দেহ অবিশ্বাস উড়িয়ে দিয়ে
নিজেকেই নিঃসন্দেহে বিশ্বাস করো
 
যদি তুমি অপেক্ষা করতে পারো এবং অপেক্ষায় ক্লান্ত না হও
কিংবা আকণ্ঠ মিথ্যায় ডুবে থেকেও মিথ্যা থেকে দূরে রও
কিংবা ঘৃণিত হয়েও যদি কিছুতেই ঘৃণার পথে না যাও

ভয়ে ভয়ে আছি

মনে খুব ইচ্ছা, আরও ক’টা দিন বাঁচি
তাই ভয়ে ভয়ে আছি

বলেছেন দাদারা, জ্ঞানী এন্ড গাধারা
খেটে খাও, কথা কম, একা চল হরদম
পেয়ে গেছি বুদ্ধি, তাই মনে মনে নাচি
আমি ভয়ে ভয়ে আছি

তেলাপোকা খামচায়
লালচোখে আম চায়
খুব বেশি রাগ হলে চুপচাপ হাঁচি
এত ভয়ে ভয়ে আছি

লিখব না ফেসবুক
ডরে বুক ধুকপুক
ব্লগ তো চিনিই না, আমি আস্তিক, চাচি
দেখ, ভয়ে ভয়ে আছি

কোপালে চাপাতি-ছুড়ি
দিব লেপ-কাঁথা মুড়ি
বদল চাইলে খুব, চুল-দাড়ি চাঁছি
খুব ভয়ে ভয়ে আছি

এ কেমন তাবিজ ব্যাথাও কমে না বিষও নামে না

কবি হেলাল হাফিজ। প্রতিদিন প্রেসক্লাব কেন্টিনের একটি কোনায় বসে দুপুরের ভাত খান। আজ তিনি অন্য একটি টেবিলে বসে ভাত খাচ্ছিলেন। পাশের চেয়ারটায় বসে ভাতের অর্ডার দিলাম। ইচ্ছা খেতে খেতে কবির সঙ্গে যদি কিছু কথা হয়। বললাম আমি নেত্রকোনার। আমার দিকে মুখ তুলে বললেন, কোথায়্। বললাম মোহনগঞ্জ। মুহুর্তেই অন্তরঙ্গ হয়ে গেলেন। বললেন আমার মেসো ময়েজউদ্দিন সাহেব এক সময় মোহনগঞ্জ পাইলট স্কুলে টিচার ছিলেন। বললাম, তিনি আমার শিক্ষক িছলেন। হেলাল হাফিজ বললেন, আমার বাবাও দত্ত হাইস্কুলের শিক্ষক ছিলেন। একবার পাইলট স্কুলের সঙ্গে দত্ত হাইস্কুলের ফুটবল নিয়ে মারামারি হলো। বাবা এই ঘটনার তদন্ত করতে মোহনগঞ্জ গিয়েছিলেন। আমিও বাব

এহেন বর্বরিক ধর্ষন ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে ন্যায় বিচার এর আওতায় আনতে আর কত বিলম্ব হবে?

 

 

 

এহেন বর্বরিক ধর্ষন ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে ন্যায় বিচার এর আওতায় আনতে আর কত বিলম্ব হবে?

আমরা সবাই আশা করি এই ধরনের অপরাধকারীদের আইন শৃংখলা বাহিনী দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনয়ন করিবেন ও বিচার বিভাগ তাদের সর্বোচ্চ শাশ্তির বিধান করিবেন।

অন্যথায় জনগণের বিশেষ করে নারীদের জীবনের নিরাপত্তা তো বিঘ্নিত হয়ে গেল!

 

হাসান মাহমুদ এর পক্ষ হতে।

জনাব হাসান মাহমুদের আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত ডকুমেনটারি হিল্লা, নারী ও তারেক মাসুদের আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র মাটির ময়না প্রদর্শন করা হয়।

 

জনাব হাসান মাহমুদের আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত ডকুমেনটারি হিল্লা, নারী ও তারেক মাসুদের আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র মাটির ময়না প্রদর্শন করা হয়।

জনাব হাসান মাহমুদ ও রায়হান রনো এর সৌজন্যে।

প্রকাশক- আব্দুল হাকিম চাকলাদার।

 

সবুজ মুখের শিশুরা কখনও সচিবালয়ে যায় না

সবুজ মুখের শিশুরা কখনও সচিবালয়ে যায় না
শিশুদের ভেতরের সবুজতা মরে গেলে পরে তারা বড় হয়
আর শেষ সবুজের ছোঁয়াটুকু তারা সচিবালয়ে গিয়ে হারায়
সচিবালয়ে শুধু শাড়ি পরা, প্যান্ট পরা নানা দেহ ঘোরে
তাহাদের নাক আছে, চোখ আছে, মুখ আছে, বুক আছে
হৃদয়ে চঞ্চল ঘাসের সুবাতাস নেই

তাই সবুজ মুখের শিশুরা কখনও সচিবালয়ে যায় না

জিয়া ১৫ আগস্ট ষড়যন্ত্রে জড়িত তা অনুমান নির্ভর জিয়ার নির্দেশ না মেনে এরশাদ ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন(5)

 ১৫ আগষ্টের ঘটনাবলির পেছনে জিয়াউর রহমানের ষড়যন্ত্র আছে। এমন একটা অভিযোগ শোনা যায়। এটি কতটা অনুমান নির্ভর এবং কতটা যৌক্তিক এ নিয়ে গবেষণা বা অনুসন্ধান হয়নি। বিএনপি সময় অসময় বইয়ে লেখক মহিউদ্দিন আহমেদ বইয়ে উল্লেখ করেছেন, শেখ মুজিব নিহত না হলে জিয়ার উত্থান হতে পারতো না। কিন্তু এটাও ঠিক স্বাভাবিক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে সফিউল্লা নন জিয়াই হতেন সেনাবাহিনীর প্রধান।

খন্দকার মোশতাককে রাষ্ট্রপতি ঘোষণার অনুষ্ঠানে সামরিক লোকদের মধ্যে বেসামরিক ছিলেন, তাহের উদ্দিন ঠাকুর, হাসানুল হক ইনু ও আনোয়ার হোসেন(4)

শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টায় মেজর রশিদ খন্দকার মোশতাক আহমদের বাসায় হাজির হন। তাকে ঢাকা বেতারকেন্দ্র নিয়ে আসা হয় এবং রাষ্ট্রপতি হিসাবে ঘোষণা দেওয়া হয়। ডালিম ১০ টায় তিন বাহিনীর প্রধানকে বেতার কেন্দ্র নিয়ে আসেন। তাদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান জিয়াউর রহমান ও সিজিএস খালেদ মোশারফ ছিলেন। সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল সফিউল্লা, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকার এবং নৌবাহিনীর প্রধান কমোডোর এমএইচ খানের নতুন রাষ্ট্রপতির প্রতি আনুগত্য জানিয়ে বিবৃতি রেকর্ড করা হয়। বিডিআরের প্রধান মেজর জেনারেল খলিলুর রহমান ও পুলিশের মহাপরিদর্শক নুরুল ইসলামকেও একি উদ্দেশে ডেকে আনা হয়। বিএনপির স

একসুরে প্রচার হয়েছিল শেখ মুজিব ভারতের দালাল-3

মুজিব বিরোধী ডান ও বাম বিশেষ করে চীনপন্থি দলগুলো একসুরে প্রচার করেছিল যে শেখ মুজিব ভারতের দালাল। সেনা কর্মকর্তারা বিশেষ করে লে: কর্ণেল জিয়া উদ্দিন এবং লে: কর্ণেল আবু তাহের এ বিষয়ে প্রচুর ইন্ধন জুগিয়েছিলেন। বিএনপি সময় অসময় বইয়ে লেখক মহিউদ্দিন আহমদ এবিষয়টি উল্লেখ করেছেন। তার মতে সামরিক বাহিনীর অনেক সদস্যদের মনে ধারণা হয়েছিল ভারতের তবেদারি করার জন্য সমরিকবাহিনীকে ইচ্ছা করে দূর্বল করে রাখা হয়েছে। ১৯৭৪ সালে শেখ মুজিব সাংবাদিক অ্যান্থনি মাসকারেনহাসকে বলেছিলেন, তিনি একটা শক্তিশালি সেনাবাহিনী তৈরী করার বিরুদ্ধে। শেখ মুজিবের ভাষ্য ছিল, আমরা পাকিস্তান সেনাবহিনীর মতো একটা দানব সৃষ্টি করতে চাইনা। আসলে

বঙ্গবন্ধুর লাশ ৩২ ঘন্টা ৩২ নম্বরে পড়ে ছিল মোশতাকই প্রথম মর্যাদার সঙ্গে লাশ দাফনের নির্দেশ দেন(২)

শেখ মুজিবের মৃতদেহ ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ৩২ ঘন্টা পড়ে ছিল। জবীত শেখ মুজিব যাদের একদিন বীর উত্তম বা বীর বিক্রম খেতাব দিয়ে ছিলেন, সেসব মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা ঢাকা বেতার কেন্দ্রে এবং বঙ্গ ভবনে আসর গুলজার করেছিলেন। একমাত্র ব্যাতিক্রম ছিলেন কর্ণেল জামিল। তিনি কর্তব্যের তাড়নায় ৩২ নম্বরের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন। কিন্তু পথেই তাকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়। বিএনপির সময় অসময় বইয়ে লেখক মহিউদ্দিন আহমেদ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরের ৩২ ঘন্টা এভাবে বর্ণনা করেন।

শেখ মুজিবের বিকল্প হতে জিয়াকে রশিদের অনুরোধ। জিয়ার নির্দেশ রশিদকে আরকোন সাক্ষাৎনয়

ফারুক ও রশিদ এমন একজনকে খুঁজছিলেন, যিনি শেখ মুজিবের বিকল্প হতে পারেন। তাঁদের প্রথম পছন্দ সেনাবাহিনীর উপপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। তিনি পকিস্তানি মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে ফারুক ও রশিদের প্রশিক্ষক ছিলেন। সেনাবাহিনীতেও ছিলেন বেশ জনপ্রিয়। তাদের মনে হলো দেশের দু:সময়ে জিয়ারমতো একজন নেতার দরকার। জিয়ার সঙ্গে রশিদের যোগাযোগ হলো।

নিলুর নীল পাগড়ী (সমাপ্ত)

(৬)
কয়েক বছর পরের শেষ বৈশাখের এক দুপুর বেলা। খালে জোয়ারের স্রোত প্রবল বেগে ঢুকছে। স্রোতের শক্তি দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে তখন। নীলুদের নৌকা ঘাটে বাঁধা, স্রোতে একটু একটু কাঁপছে। নীলু নৌকায় উঠে গামছা পেতে শুয়ে পড়ল। গাছের পাতায় পাতায় চড়া রোদের দখলদারী, বাতাসে রোদ কাঁপছে না পাতা কাঁপছে বোঝা শক্ত। পুরো তল্লাটে মানুষের কোন নাম গন্ধ নেই। একটা ঘুঘু থেমে থেমে ডেকে চলছে, ঘুঘুর ডাকে বুকের ভেতর কেমন যেন হাহাকার লেগে যায়। নীলু বড় একটা নিঃশ্বাস ছেড়ে উঠে বসতে চেষ্টা করল, কিন্তু সে উঠতে পারল না, পিঠে মনে হল ভারী পাথর বাঁধা আছে, মেরুদণ্ড যেন অসাড়, সে বুঝতে পারছে একটা অদ্ভুত কিছু তার রক্তে ছুটে বেড়াচ্ছে, সবকিছু কেমন বিকল করে দিচ্ছে। 

শপিং মল

এক
নতুন গড়ে উঠা বিশালাকার এক শপিং মল; গ্রাউন্ড ফ্লোরে বেশ কয়েকটি দেশীয় ব্র্যান্ডের কাপড়ের দোকান- এগুলোকে অবশ্য দোকান বললে যেন ঠিক ম্যাচ করে না; আউটলেট বা শপ বললেই বোধ করি, ব্লাউজের সাথে কপালে পরা একই রঙের টিপের মত মিল হয়।

সে আমার ছোট বোন 

 

(১)
তাকে প্রথম দেখি শাহবাগেই, অন্য অনেকের মতোই। আমি তখন একটা আউটসোর্সিং ফার্মে কাজ করতাম; আমাদের মাঝে মাঝে নাইট শিফট করতে হতো, যেহেতু আমাদের ক্লায়েন্টগুলো সব ছিলো পশ্চিমা দেশগুলোর। আমি সারারাত, রাত ১১টা থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত কাজ করলাম। তখন আমার হাতে টাকা পয়সা ছিলনা বললেই চলে; আর ঐদিনই আমাদের সেলারী দেওয়ার কথা ছিল; তাই আমি বাসায় না গিয়ে রাত পর্যন্ত অফিসে ঘুমিয়ে আর বাইরে ঘুরে সময় কাটানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।

Pages