slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

সে আমার ছোট বোন 

 

(১)
তাকে প্রথম দেখি শাহবাগেই, অন্য অনেকের মতোই। আমি তখন একটা আউটসোর্সিং ফার্মে কাজ করতাম; আমাদের মাঝে মাঝে নাইট শিফট করতে হতো, যেহেতু আমাদের ক্লায়েন্টগুলো সব ছিলো পশ্চিমা দেশগুলোর। আমি সারারাত, রাত ১১টা থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত কাজ করলাম। তখন আমার হাতে টাকা পয়সা ছিলনা বললেই চলে; আর ঐদিনই আমাদের সেলারী দেওয়ার কথা ছিল; তাই আমি বাসায় না গিয়ে রাত পর্যন্ত অফিসে ঘুমিয়ে আর বাইরে ঘুরে সময় কাটানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।

নিলুর নীল পাগড়ী (দ্বিতীয় অংশ)

(৪)
গ্রীষ্মের ছুটিতে আনোয়ারার কন্যা নাজমা আক্তার, জামাই বজলুল হুদা এবং একমাত্র নাতনি রানু পরদিন সকালে এসে উপস্থিত। এই দিনই আসবে এমন কোন কথা ছিল না, তবে জামাই চিঠি পাঠিয়েছিল এরকম কোন এক সময়েই আসবে। রানুর স্কুল ছুটি হয়েছে, জামাইয়ের কলেজও ছুটি, সে আবার দূরের এক উপজেলা সদরে কলেজের সহকারী অধ্যাপক। রানুরা প্রতিবছর অন্তত দুইবার এ বাড়িতে আসে, শীতে একবার, গ্রীষ্মে একবার। এক সপ্তাহ দুই সপ্তাহ থেকে তারপর ফিরে যায়।
 
জন্মের পর চার বছরের মত এই গ্রামেই কাটে রানুর, তাই সারা বছর সে বাড়ি আসার জন্য মুখিয়ে থাকে। স্কুল ছুটি হবার সাথে সাথে সে মা-বাবার কান ঝালাপালা করতে থাকে, কবে বাড়ি যাব, বাবা ছুটি নেয় না কেন, ইত্যাদি। 

অন্ধ নিরাঙ্গম

লক্ষ্মীরে কেন খুন করেছিলাম, তার কিছুই মনে পড়ছে না। খুন যে করেছিলাম তার বিষয়ে আমি শতভাগ নিশ্চিত, কিন্তু কেন খুন করেছিলাম? না, কিছুতেই তা মনে পড়ছে না। অবশ্য লক্ষ্মীরে না দেখলে এই খুন সম্পর্কে আমি কিছুই জানতে পারতাম না, ওরে প্রথম দেখতেই আমার সামনে পুরো নিউমার্কেটটা ধূসর এক মাঠ হয়ে গিয়েছিলো। শুধু এই খুন আর ধূসর মাঠ বিষয়ে আমি কিছুদিন ভাববার পর শ্যামা বৌদির কণ্ঠ শুনতে পেলাম। কিন্তু এই শ্যামা বৌদিটাই বা কে?

ইসলামের নামে হামলা, কমছে গণমানুষের ক্ষমতা, বাড়ছে রাষ্ট্রের আধিপত্য

প্যারিস থেকে ঢাকা। একটার পর একটা জঙ্গি হামলা হচ্ছে। দায় নিচ্ছে ইসলামী পরিচয়ের কয়েকটি সংগঠন। কোথাও আইসিস। কোথাও তালেবান বা কোথাও জামাতুল মুজাহিদ। কিন্তু ঘটনা একটাই সাধারণ মানুষদের হত্যা। বোমা মেরে হত্যা। আÍঘাতি হয়ে হত্যা। জিম্মি করে হত্যা। বা গোপনে টার্গেট করে হত্যা। যাদের হত্যা করা হচ্ছে তারা রাষ্ট্রের ক্ষমতার সঙ্গে কেউ জরিত নন। তাদের সাংগঠনিক ক্ষমতাও নেই। তারা কোথাও হোটেলে গান বাজনা করছিলেন। কোথাও নিজের মতামত লিখছিলেন। কোথাও স্কুলে লেখাপড়ায় ব্যাস্ত ছিলেন। কোথাও বা প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেন। তাদের মৃত্যুকে জিহাদ নামে উল্লেখ করেছে হত্যাকারীরা। তারা ইসলামী রাষ্ট্র নামের একটি রাষ্ট্র বানিয়েছেন। এই

ফেসবুক বন্ধে সব চেয়ে খুশি আমার স্ত্রী!

সরকার ফেসবুক সহ কিছু সামাজিক সাইট বন্ধ করে দেয়াতে আমি অনেক অনেক খুশি হয়েছি। ফেসবুকের কারনে আজকাল পাঠে ও লেখায় তেমন মনোযোগ বসাতে পারছি না। সামান্য সময় পেলেই ফেসবুকে বিচরন করে ফেলি এবং নানান বন্ধুদের সাথে কথায় লেগে পড়ি, যার কোন তেমন মুল্য নেই বলেই মনে হয়! তাছাড়া মাঝে মাঝে কিছু স্ট্যাটাস দিয়ে বা আমার 'গল্প ও রান্না' সাইটে বন্ধুদের নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা চালাই, এটাও নিজের খেয়ে বনের মেষ তাড়ানোর মত ব্যাপার!

চাপাতির ভয়ে ভীত লুম্পেন বুদ্ধিজীবীরা

আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। বুদ্ধিজীবী, লেখক টেলিভিশনের উপস্থাপকও আতঙ্কিত। বিদেশি পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। আর্তি, জঙ্গিরা মেরে ফেলবে। ঘর হতে বের হতে ভয় পাই। অফিসে যেতে ভয় পাই। ড্রাইভারকে ভয় পাই। প্রাণ উষ্ঠাগত। আমাদের নিরাপত্তা দিন। বাসার সামনে। চলার পথে পুলিশ দিন। তারপরে পুলিশকেও মেরে ফেলেছে জঙ্গিরা। এটি অবশ্য টার্গেট করে হত্যা না। হত্যাকারী অন্য কাউকে হত্যা করতে যাচ্ছিল। পথে পুলিশ বাঁধা হয়ে দাড়ালে তাকেই হত্যা করা হয়েছে। টার্গেট হত্যাও কিছু হয়েছে। পিছন থেকে লুকিয়ে কুপিয়ে কিছু সাধারণ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকান্ডকে বলা হচ্ছে ইসলাম রক্ষার হত্যা কান্ড। অন্ত্যত যারা হত্যার দায় স্বীক

অস্তমান

এখন এই মধ্যকার্তিকে-
আরক্ত সূর্য নামছে হলুদ ধানক্ষেতের ওইপারে।
 
দিগন্তের অন্ধকারে রক্তপিপাসু তান্ত্রিকের, সবটুকু হেমরস
শুষে নেয়া নিমিলিত চোখ, উন্মগ্ন এখন।
ফিনফিনে কুয়াশায় ছোপছোপ মাঠ- আধকাটা ফসল 
যেন হাই তুলছে দৈনন্দিন ঘুমের আগে মুড়ি দেয়া 
কাঁথার ভেতর আলস্যে ও পরম শান্তিতে।
দড়ির মত দিগন্তে ছুটে যাওয়া মেঠোপথ,
পাশেই সেই পুরাকালের নদী পেটফোলা সাপের মত, 
আকাশে রক্তিম মেঘ, তার জলছবি
বুকে নিয়ে আন্দোলনহীন, স্থির-

পুরস্কার প্রাপ্ত শারিয়া-নাটক "হিল্লা"

 পুরস্কার প্রাপ্ত শারিয়া-নাটক "হিল্লা"

লেখক- হাছান মাহমুদ
প্রকাশক- আঃ হাকিম চাকলাদার(অনুমোদন ক্রমে)

শুভ জন্মদিন তিশা !

মাঝে মাঝে মনে হয় আজকেই জীবনের শেষ দিন, আর তখনই ডাক্তারের দেয়া সময়ের
হুশিয়ারি মনে পরে, বড়জোর আর তিরিশ দিন! তবে এইটা বলা মুশকিল, সবার শরীর
একরকমের না, সবাই একরকমের রেসপন্স করে না! এরপরও ডাক্তার বললো হয়তো
পাচ্চল্লিশ দিন।

আমি বাসায় কাউকে কিছু বলি নাই, বরং অহেতুক ঝগড়া কইরা চইলা আসছি! সেই

ইনভিজিবল একটি গোষ্ঠিকে আজ ভিজিবল দেখলাম

একটি অদৃশ্য তারুণ্যকে আজ ঢাকার রাস্তায় দৃশ্যমান দেখলাম।এরাহলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। এরা ভ্যাট দেবনা বলে শ্লোগান দিচ্ছিল। কিন্তু কেমন যেন খাপছাড়া। শ্লোগানগুলো জোরালো ছিলনা।  আন্দোলনের ভাষাও পাচ্ছিল না। কী শ্লোগান ওরা দেবে ভেবেও পাচ্ছিলনা। শ্লোগানে একজন লিড দেয় অন্যরা তার সুরে সুর মেলায়। কিন্তু দেখলাম একজন বললো অন্যরা চুপ। তখন এদের মধ্যে মুখ চাওয়া চাওয়ি। অবশেষে লিডের পরের অংশটুকু সবাই জানলেও শ্লোগান ছিল একবারেই মেরমেরে।

জনগন মানেই নিরপেক্ষ তাদের ধর্ম অবশ্যই ধর্মনিরপেক্ষ

রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এটি কিন্তু জনগণ আন্দোলন করে আনেনি। বরংচ জনগণের প্রত্যেকটি আন্দোলনে ধর্মনিরপেক্ষতার কথাই বলা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধই হউক আবার এরশাদ বিরোধি আন্দোলনই হউক। বাংলাদেশের জন আন্দোলনের একটি প্রধান দিক হলো ধর্মনিরপেক্ষতা। কিন্তু শাসক শ্রেণীর মাথায় অন্য রকম চিন্তা থাকে। তারা জনগনকে বিভিন্নভাবে বোকা বানাতে চায়। ক্ষমতায় থাকতে বা ভোট নিতে ফন্দি ফিকির বের করে।

আড্ডা পূরাণ: অন্তর্ধ্যান পর্ব

ঘোর কলিকাল। নয়ত ‘বাবা’র কথা এতদিন ভূলে থাকলাম কিভাবে! সেদিন, হঠাৎ কি মনে করে গ্যারাজ থেকে সব জঞ্জাল টেনে বের করল আমার বউ। ভাগ্যিস!

একদিন বৃষ্টি ঝরা রাতে

গতকাল দুপুর থেকে একটানা বৃষ্টি। বাসার ক্লপসিপল গেটের ভিতরে একহাটু পানি। সামনের ফাঁকা জায়গায় জমে থাকা পানিতে একঝাক পুটি মাছ।একঝাক মানে পনের বিশটা।মাছ গুলোর লেজ থেকে পেটের মাঝদিয়ে লাল বর্ডার।শোবার ঘরের জানালায় বসে স্বচ্ছ-পরিস্কার পানিতে পুটি মাছ! আগে কখনও দেখেছি বলে মনে পাড়ে না। জানালার সামনে পানিতে রঙ্গিন পুটি মাছ! খাবার মেন্যুতে ভাজা ইলিশ (জাটকা) আর রাধুনি পাগল চালের ভূনা খিচুড়ি।বৃষ্টিঝরা আয়েশি দিনটা এরচেয়ে ভালো কাটানোর অন্যকোন উপায় ছিল না।

নিকলীঃ কিছু ছবি কিছু কথা

চামটা বন্দর থেকে আমরা যখন নিকলী বাজারে পৌছলাম তখন বেলা প্রায় ১১ টা। আমরা মানে আমি, সারোয়ার, রাহাত আর সাত্তার। নৌকা ঘাটে ভিড়তেই বেশ কিছু কৌতুহলী মুখ আর তাদের উৎসুক চাহনি চোখে পড়ল। আমাদের চাইতে আমাদের সাথে থাকা ক্যামেরাগুলোই তাদের কৌতুহলের কারন। জানতে চাইল কোথা থেকে এসেছি? ঢাকার কথা বললাম। তারপরের প্রশ্ন আপনারা কোন চ্যানেলের? জবাব না দিয়ে মুচকি হেসে কিছুদুর এগুতেই টের পেলাম আমাদের পেছন পেছন ছোটখাট একটা মিছিলের মত হয়ে গেছে। হাজার হোক কৌতুহল বলে কথা।


হেলিকাপ হেলিকাপ লইয়া যাও লইয়া যাও

সুদের হার কমলেই বিনিয়োগ বাড়ে না

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছিলেন, সঞ্চয়পত্রে সুদ না কমানোর। তার যুক্তিছিল দেশের সকল মানুষকে নিয়েই আমদের ভাবতে হয়। সুদের হার কমালে নিু মধ্যবিত্ত, গরিব ও পেনশনারদের কষ্ট হয়। অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, এখন সুদ কমানোরও সময়৷সুদ কমালে বিনিয়োগ বাড়বে। মানুষের কর্মসংস্থান হবে। গরিব  ও নিুবিত্তদের সমস্যা হবে না। প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে। যার সুফল পাবে গরিব মানুষ।

হিজাব বাধ্যতামূলক নয়।

হিজাব বাধ্যতামূলক নয়।
লেখক- হাসান মাহমুদ।
প্রকাশক- আঃ হাকিম চকলাদার।(লেখকের অনুমোদন ক্রমে)

সাহাবী আল ফাদেল এক সুন্দরী নারীর দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়েছিল কারণ "তাহার সৌন্দর্য্য তাহাকে আকর্ষণ করিয়াছিল", নবীজী ফাদেলের মুণ্ডু ধরে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন, ওই নারীকে মুখ ঢাকতে বলেন নি - সহি বুখারী ৮ম খণ্ড - ২৪৭.

জ্বলি ন উদিম কিত্তায় ?

পনেমালা অজ পাড়া গাঁ মাটিরাঙ্গার বগাছড়ির মেয়ে । সে পাহাড়ি রাস্তার মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়ায় । জুমের ফসল তোলা, কাঁকড়া, চিংড়ি মাছ ধরা, মাঝে মাঝে গরু চড়াতে চড়াতে আনমনা হয়ে আকাশ পাতাল ভাবা তার নিত্য দিনের অভ্যাস । এই ১৫ বছরে সে ক্লাস সিক্সে পড়ে । মাঝে মাঝে পাড়ার ক্লাবে পেপার পত্রিকাও পড়ে । আজকাল লোকাল পত্রিকা খুললে চোখে পড়ে ধর্ষন বলে কি ঘটে তার মত বয়সী মেয়েদের সাথে । সে একবার এক বড় দিদিকে জিজ্ঞেস করে ধর্ষন কি ? দিদির উত্তর তার গায়ে কাটা দেয় । প্রায় প্রতিদিনের কাজের ঝামেলায় আবার ভুলে যায় সে। তবে সে আজকাল সে আত্মরক্ষার জন্য দা সাথে রাখে বলা যায় না কখন কি বিপদ হয়।

পালাও পালাও

বছর ত্রিশেক আগের কথা। যে গ্রামে আমার শৈশব কাটে সেখানকার এমন কোন বাড়ি নেই যে বাড়ির অন্তত একজন ভাগ্যান্বেষণে ঢাকা, চট্টগ্রাম কিংবা খুলনা যাত্রা করেনি। ওই সময়ে যার গল্প গ্রামের মানুষের মুখে মুখে ফিরত এবং সবাই প্রণিধানযোগ্য বলে বিবেচনা করত সে এলাকায় খলিল সাহেব নামে পরিচিত। তার বিষয়ে গ্রামে অনেক গল্প প্রচলিত ছিল। ছেলেবেলায় সে নাকি ছিল খুব ডানপিটে, স্কুলে যেতে চাইত না। বাবা আর বড় ভাই মিলে একদিন ব্যাপক মারধর করলে কাউকে কিছু না জানিয়ে লঞ্চে চড়ে বসে। তখন পাকিস্তান আমল। ঢাকায় গিয়ে শুরু করে মুটেগিরি । আয় যাই হোক না কেন তার নির্দিষ্ট একটা অংশ প্রতিদিন জমিয়ে রাখত সে, এরপর একসময় রেডিও মেকানিক্সের কাজ

নাম

 নতুন ভাড়া-বাসায় উঠেছি একমাসও পুরা হয়নি। সেদিন বিকেল বেলায় রিক্সা করে বাসার গেটের কাছে পৌঁছানো মাত্রই দেখতে পেলাম রাস্তার অপর দিক থেকে আরেকটা রিক্সা কড়া ব্রেক কষে গেটের সম্মুখভাগে এসে দাঁড়াল। রিক্সায় বসা অবস্থা থেকেই একজন মধ্যবয়স্ক লোক হেঁকে উঠল, “এই হিমেল এদিকে আয় তো।” নতুন নিয়োগ পাওয়া ষোল-সতের বছরের দারোয়ান ছেলেটি প্রায় দৌড়ে এসে মুহুর্তের মধ্যেই লোকটির বসে থাকা রিক্সার সামনে এসে হাজির। ছেলেটির পুরো মুখমন্ডল জুড়ে সেঁটে আছে বাতাসে দুলতে থাকা রাশি রাশি কচি ধান গাছের মত একটা অগোছালো গ্রাম্য ছাপ। জামরুল ফলের মত বালকটির স্বচ্ছ চোখ দুটির দিকে গাঢ় দৃষ্টি হেন

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন : নানা মাত্রা, নানা অভিঘাত ও কিছু প্রশ্ন

এবারের বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘটে যাওয়া নারীর ওপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা অনেককেই চমকে দিয়েছে, থমকে দিয়েছে। বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান নিয়ে আমাদের যে উচ্ছ্বাস-আনন্দ-অহংকার তাতে যেন এক পোচ কালি লেপে দিয়েছে এই জঘন্য ঘটনা। মানুষ হিসেবে এবং জাতি হিসেবে আমরা নিজেদের কাছেই ছোট হয়ে গেছি, অন্যের কাছে তো বটেই।

Pages