slideshow 1 slideshow 2 slideshow 3

বাংলাদেশে ভিক্ষাবৃত্তিঃ কারণ ও প্রতিকার

 ভিক্ষা শব্দের আভিধানিক অর্থ-যাচিত বস্তু, প্রার্থনা, সাহায্য চাওয়া। ভিক্ষাবৃত্তি মানে ভিক্ষার মাধ্যমে জীবনধারণ। আর যারা নিজের অক্ষমতা ও অসামর্থ্যের কথা অন্যের কাছে অকপটে ব্যক্ত করার মাধ্যমে সাহায্য নিয়ে জীবিকানির্বাহ করে-তারাই ভিক্ষুক। ঠিক কবে থেকে ভিক্ষাবৃত্তির প্রচলন হয়েছে, তা বলা সম্ভব না হলেও একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, এ এক প্রাচীন পেশা। পৃথিবীর সবদেশেই ভিক্ষুক আছে এবং হয়তো থাকবেও। কিন্তু এদেশের মতো এতো সর্বব্যাপী জীবিকার মাধ্য

পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও আমি নিজে পুরুষতন্ত্রের শিকার!

উপরের শিরোনাম দেখে অনেকেই হয়ত চমকে উঠবেন- কিভাবে, কিভাবে এটা সম্ভব!
বলছি, একে একে গুটিকতক-

রকমারি ই বুক লাইব্রেরী

রকমারি ই বুক লাইব্রেরী
লেখক-হাসান মাহমুদ
প্রকাশক- জামসেদ (লেখকের অনুমোদন ক্রমে)
সূত্র- http://www.rokomari.com/all-reviews/27593?sort=latest
রকমারি ই বুক লাইব্রেরীর বুক সেলফে “শরিয়া কি বলে আমরা কী করি” উপরের লিংক এর মাধ্যমে সে কেহ ঘরে বসে সংগ্রহ করতে পারেন।খুব সুন্দর ব্যবস্থা। বাংলা দেশে এত সুন্দর ব্যবস্থা হয়েছে আমার ও জানা ছিলনা।

টুকরো-টাকরা রবীন্দ্রনাথ

প্রার্থনা ও প্রেম

এবার রবীন্দ্র প্রয়াণে ঢাকার আকাশ মোটেই কাঁদল না। পুরো আকাশ জুড়ে মনে হল শরতের মেঘকে ধাওয়া করে নিয়ে যাচ্ছে বাতাস। যদিও শরত দরজায় খাড়া, তবু এই খেলা শুরু হয়েছে বর্ষাকালের শুরু থেকেই, আষাঢ় মাস আরম্ভ হতেই। মাঝে মাঝে বর্ষা তার চেহারা দেখালেও এই ছিল এবার বর্ষাকালের সাধারণ রূপ। হয়ত ভাল একটা ঝুম ঝুম বর্ষাকাল পাবার জন্য আগামী বছর কিংবা আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে।

ইতিহাসের কাব্য : ফিলিস্তিন, হামাস, ইসরায়েল

ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিন দখলের ইতিহাস

ভূমধ্যসাগরের পূর্বে ১০,৪২৯ বর্গমাইলব্যাপী প্যালেস্টাইন দেশটি ছিল অটোমান খেলাফতের অধীন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যারা ছিল বৃটেন বিরোধী জোটে৷ তখন যুদ্ধ জয়ে প্যালেস্টিনিয়ানদের সহযোগিতা পাওয়ার আশায় ১৯১৭ সালে বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড বেলফোর যুদ্ধে জয়ী হলে এই ভূমিতে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হবে বলে আশ্বাস দেন৷ যা ইতিহাসে বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত৷ যেহেতু আরবরা ছিল ইহুদিদের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি, সেহেতু ঘোষণাটি তাদের অনুকূল বলেই তারা ধরে নেয়৷ কিন্তু এর মাঝে যে মহা ধোকাটি লুকিয়ে ছিল তা তারা বুঝতে পারেনি৷ বৃটিশ শাসনের শুরু থেকে৷ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বৃটেনের প্রয়োজনে দুর্লভ বোমা তৈরির উপকরণ কৃত্রিম ফসফরাস তৈরি করতে সক্ষম হন ইহুদি বিজ্ঞানী ড. হেইস বাইজম্যান৷ ফলে আনন্দিত বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলেন কি ধরনের পুরস্কার তিনি চান৷ উত্তর ছিল অর্থ নয় আমার স্বজাতির জন্য এক টুকরো ভূমি আর তা হবে প্যালেস্টাইন৷ ফলে প্যালেস্টাইন ভূখণ্ডটি ইহুদিদের হাতে তুলে দেয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয় বৃটেন৷ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ জয়ের পর বৃটেন স্বাধীনতা দেয়ার অঙ্গীকারে ১৯১৮ সাল থেকে ৩০ বছর দেশটিকে নিজেদের অধীন রাখে৷ মূলত এই সময়টিই প্যালেস্টাইনকে আরব শূন্য করার জন্য ভালোভাবে কাজে লাগায় ইহুদি বলয় দ্বারা প্রভাবিত ইঙ্গ-মার্কিন শক্তি৷

সমকামী এবং উভয়কামীদের অজানা ও অন্ধকার অধ্যায়ঃ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

(১)

সমকামিতা, উভয়কামিতা এবং বাংলাদেশের সমকামীদের সম্পর্কে আপনি সঠিক ধারণা পাবেননা, যদিও আপনি বাংলাদেশে সমকামিতার উপর সমকামীতার সমর্থকদের বিভিন্ন লেখা পড়েন। তারা আপনাকে সমকামীদের পজিটিভ কিছু সাইড এবং বৈশিষ্ট দেখিয়ে আপনাদের সামনে সমকামীতাকে নারী-পুরুষের স্বাভাবিক সম্পকের মতই প্রাকৃতিক একটা বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করে আসেন। এখানে উল্লেখযোগ্য যে তারা শুধু সমকামীতা সম্মন্ধেই বিভিন্ন কথা বলে বা এর পক্ষে যুক্তি দেখায়। উভয়কামীতা – যা কিনা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমকামীতার সঙ্গে যুক্ত এবং সমকামীতার চেয়েও আরও বেশি মারাত্মক – তার সম্পর্কে এরা বলতে গেলে কোন কথাই বলেন না।

হিরো বনাম হিরোইজম

আমরা টেস্ট ক্রিকেটের ক্লাবভুক্ত হলাম চৌদ্দ বছর! এর মধ্যে ৮৩টি টেস্ট খেলে জয় চার বার তাও দুটি এককালের উদীয়মান কিন্তু পরবর্তীতে রাজনীতির শিকার কোমর ভাঙা জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে এবং বাকি দুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুর্বল সময়ে। তবে ড্র রয়েছে ১১টি। সে যাই হোক, ২০১০ থেকে ২০১৩ সময়ে এসে নিয়মিত জয় পাওয়া শুরু হয়েছিল ওয়ান ডে ইন্টারন্যাশনালে। এমনকি খেলোয়াড়দের মধ্যে লড়াকু চেহারা দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল। কিন্তু ২০১৩ এর শেষ দিকে এসে ব্যাপক পতন শুরু হয়। ধারাবাহিকভাবে লজ্জাজনক সব হারের ছড়াছড়ি। এর কারণ হিসেবে নানা মুনির নানা মত থাকলেও এক সাকিব ছাড়া কোন খেলোয়াড়েরই কোন ধারাবাহিকতা এই চৌদ্দ বছরের ইতিহাসে দেখা যায়নি। এক একজন খেলোয়াড় প্রচুর সম্ভাবনা নিয়ে উদয় হন, কয়েকটি ফিফটি হাঁকিয়ে জাতীয় দলে নিয়মিত খেলার সুযোগ পান, এরপর লবডঙ্কা। দশ-বিশ ম্যাচ খেলে ফেলেন কিন্তু বিশের ঘর পেরোতে পারেন না। হালের নাসির হোসেনের কথাই ধরা যাক। সম্পূর্ণ এক খেলোয়াড়ের মত আবির্ভাব। শারীরিক ভাষা, স্টাইল, ব্যাট চালানোর দক্ষতা, ফিল্ডিং, বোলিং ইত্যাদি মিলিয়ে আশা জাগানিয়া একজন অলরাউন্ডারের শুরু। কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি ব্যাট চালানো ভুলে গেলেন! তামিমের কথা আর নাই বা পাড়লাম! বোলিংয়ে সোহাগ গাজীরও একই দশা।

ফটো ব্লগঃ চে গুয়েভারার বাসভবন জাদুঘর

গ্লোবাল ভয়েজেস-এর কর্মী, ব্লগার, এক্টিভিস্ট ও ফটো সাংবাদিক লরা স্নেইডারের সাথে আমার পরিচয় হয় গ্লোবাল ভয়েজেসের কেনিয়া সম্মেলনে। আর্জেন্টিনীয় এই নারী সাংবাদিকের সাথে আলাপচারিতায়  উঠে আসে নানা প্রসঙ্গ-  গুয়েভারাও সেই আলাপচারিতার অন্যতম অনুষঙ্গ। লরার অনুমতি ক্রমে তাঁর ব্লগ থেকে চে গুয়েভারা বাসভবন জাদুঘরের ছবি উন্মোচন পাঠক

ফুটবলেশ্বর

এবারের বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের ঠিক আগে ফুটবলেশ্বর স্বয়ং ব্রাজিল আর জার্মানিকে তাঁর দপ্তরে পৃথক পৃথকভাবে তলব করলেন। শুরুতেই ব্রাজিলের পালা। মেঘমন্দ্র কণ্ঠে বললেন,
-ব্রাজিল তুমি সেমিতে উঠছ, অভিনন্দন।
-ধন্যবাদ প্রভূ।
-আমি আর দেবতাগণ মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সেমিফাইনালের চেহারাটাই পাল্টে দেব।
-প্রভূ, যদি একটু বিস্তারিত করতেন...
-সেমিফাইনালে আমি গোলখরা কাটিয়ে বান বইয়ে দেব।
এরপর দুই আঙুল তুলে ইঙ্গিত করে ঈষৎ হাসলেন।
-প্রভূ, মাত্র দুই?
-বৎস, তুমি মুর্খদের অন্তর্ভুক্ত হইও না। তোমার বোঝা উচিত ছিল, দুই বেলার বৃষ্টিতে যেমন খরা কাটে না তেমনি দুই গোলে বন্যা হয় না।

‘দৃষ্টির সীমানায় কবি স্যার শফিকুল ইসলাম’


‘উদভ্রান্ত যুগের শুদ্ধতম কবি শফিকুল ইসলাম’
–নিজাম ইসলাম।

তারুণ্য ও দ্রোহের প্রতীক কবি শফিকুল ইসলাম। তার কাব্যচর্চার বিষয়বস্তু প্রেম ও দ্রোহ। কবিতা রচনার পাশাপাশি তিনি অনেক গান ও রচনা করেছেন। তিনি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তালিকাভুক্ত গীতিকার। তিনি ১০-ই ফেব্রুয়ারী সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

চেরীফুল ও আন্দ্রে

 ১.

হয়তো এই শীতটা টিকে গেলে বুড়ো আন্দ্রে পরের বসন্তের চেরীফুল ফোটা দেখতে পেত। আন্দ্রে টিকতে চাইলো না এই মলিন ছোট শহরের মলিনতর হাসপাতালের চাদরে শুয়ে। আন্দ্রের হয়তো কেউ নেই, হয়ত কেউ আছে কিংবা ছিলো। বলিষ্ঠ তবে শীর্ন হাতে পাভ্‌লোভনা আস্তিন খামচে ধরে সে, ফিসফিস করে বলে ‘যন্ত্রনা, শেষ করে দে খুকী’; পাভ্‌লোভনার এই প্রথম নয় এরকম আবদার কেউ করেছিলো। বেনীতে তাকে খুকি লাগে বটে; তবে পাভ্‌লোভনা জানে সে মোটেও খুকি নয়। পাভ্‌লোভনা ভাবে কেন এই বুড়োর বেঁচে থাকার খায়েশ নেই। ঈশ্বর কী এঁর উপর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়েছেন। আন্দ্রের চোখের মনি নিষ্প্রভ, মলিন শহরের মলিন আকাশের চেয়েও বিষণ্ণ।
 

ত্রয়ী গীতিকবিতা ।। শফিকুল ইসলাম

tear shed
গীতিকবিতা-(০১)

সেদিনের সেই তুমি কত বদলে গেছ
আমার পৃথিবী আজও তেমনি আছে,
যেমন দেখেছ॥

কোথায় সেই সুর, সেই গান
প্রাণে প্রাণে এত মান অভিমান,
মনে হয় যেন তুমি আজ
সবই ভুলে গেছ॥

রবীন্দ্রনাথ পরবর্তি বাংলা শব্দ শক্তি থাকলেও ভদ্রভাষার মর্যাদা পেলোনা চুদা ও অন্যান্য শব্দ(১)

 কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। কবিকে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু করবেন। অনেকেই লিখবেন। রবীন্দ্রনাথ আমার কাছে মনে হয়েছে আসলে বাংলা ভাষা। কারণ তিনিই বাংলাকে একটি ভাষা হিসাবে রূপ দিয়েছিলেন। তার  জন্ম দিনে এটা আমার একটা অনুভুতি। 

বসন্ত গোধুলীর সঙ্গীত (২)

পড়ন্ত বিকেলে সেই মাঠের হৃদয় ভেদ করা কাঁচা রাস্তা ধরে হাঁটতে শুরু করলাম। কেন হাঁটছিলাম? রাস্তার কাহিনীটা জানার জন্যে?
না বোধহয়। যদিও প্রতিটি রাস্তার থাকে একটি নিজস্ব কাহিনী। নিজস্ব গল্প। নিজস্ব ইতিহাস। নিজস্ব পুরাণ।
প্রান্তর টানছিল?
টানছিল। টানছিল সোনার প্রলেপ মোড়া নরম রোদ। বাড়ির পথে ডানা ঝাপটানো শালিকের ঝাঁক। আকাশের শূণ্যতা টানছিল।

জঙ্গীবাদ মুক্ত চক বাজার ও জঙ্গীবাদ মুক্ত ইমাম গঞ্জ

 

লেখক ও উদ্যোক্তা- হাসান মাহমুদ

প্রকাশক- আঃ হাকিম চাকলাদার

“লাইক”করতে কিচ্ছু লাগেনা,ওটা অলস বাক্যনবাবদের কাজ।কর্মদানবদের কর্ম শুরুই হয় “শেয়ার”করা থেকে।দেখছেন কর্মদানবদের ওই গর্বিত সাইনবোর্ড ? বাগেরহাট, শেরপুর, ইমামগঞ্জের পর এবার ঢাকার “জঙ্গীবাদমুক্ত চকবাজার” !! এগোচ্ছে-বিষাক্ত কালনাগের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন এগোচ্ছে।

এভাবেই আমরা আমাদের মাতৃভূমি থেকে ওই বিষ উপড়ে ফেলব ইনশাআল্লাহ

 

http://www.sahos24.com/english/2014/05/03/531

টাইপ রাইটার

রোজকার মতোই কম্পিউটার টেবিলে বসে টাইপ রাইটারের মত খট খট আওয়াজে সামনের তারিখে কোর্টে পেশ করার জন্য একটা দলিল টাইপ করছিলো অবলাকান্ত দাসগুপ্ত । তার বাবু, মানে ব্যারিস্টার চৌধুরী নিজামুদ্দিন সাহেব কতবার তাকে বলেছে – ওটা টাইপ রাইটার নয় হে অবলাকান্ত, আধুনিক কম্পিউটারের কীবোর্ড । ওভাবে শক্তি প্রয়োগ করে টাইপ করলে দুদিনেই নষ্ট হয়ে যাবে; আর এতে করে যে এক ঘেয়ে শব্দ তৈরি হয় - বড়ই বিরক্তিকর । তাছাড়া নিজের বাড়ীর লাইব্রেরী কাম চেম্বারটাকেও কোর্ট পাড়ার সেই বিরক্তিকর টাইপ রাইটারদের প্রতিযোগিতামূলক বাজারের মতো মনে হয় নিজামুদ্দিন সাহেবের কাছে । যদিও ব্যাক্তিগত সহকারী কাম টাইপিস্ট অবলাকান্তের কাছে তিনি মুখ ফুট

আহসানুল্লাহর ছয় ছাত্রের মৃত্যু বনাম সাংবাদিকতা

সাংবাদিকতায় ভুল থাকে। ভুলতো প্রায় সবকিছুতেই থাকে, কিন্তু ভুলটা যদি চরম মাত্রায় হয়, তাহলে এতে বিস্ময় প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না। সাংবাদিক যা প্রকাশ করছে আর উপস্থিত ব্যক্তির সাথের ঘটনা এক হয় না। আহসানুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জন ছাত্রের করুন মৃত্যু নিয়েও হয়েছে মিথ্যা সাংবাদিকতা। জাওয়াদ রহমান, যে কিনা সেই ৩৪ জনের দলে ছিলেন, তিনি তার ৬ জন বন্ধুর করুন মৃত্যু নিয়ে ফেসবুকে কিছু বলেছেন, পোস্টটি এরকম,

Pages